সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ সদরে অসহায় নারীকে সেলাই মেশিন উপহার, ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিনের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসিত। উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা।

খুলনায় রহস্যজনকভাবে নিহত আশিকুল বাসার সাদের বিচারের দাবি পরিবারের।

বিশেষ প্রতিবেদক।
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

কাজল, বিশেষ প্রতিবেদক।

খুলনা, ১৩ এপ্রিল ২০২৫—
খুলনার বয়রা বৈকালি ফকিরবাড়ি এলাকার তরুণ আশিকুল বাসার সাদ (২২–২৪), পিতা খাইরুল বাসার বাবলু, গত ৯ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটার দিকে চা খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। সাধারণত ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই ঘরে ফিরে আসতেন তিনি। কিন্তু সেদিন আর ফেরেননি।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেলেও সাদের সন্ধান না মেলায় উদ্বিগ্ন পরিবার খোঁজ শুরু করে। আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা আশপাশের এলাকায় খোঁজ চালিয়েও কোনো হদিস পাননি।
১০ এপ্রিল সকাল দশটার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অজ্ঞাত মরদেহের ছবি দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। দ্রুত ছুটে যান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে—সেখানে গিয়েই শনাক্ত করেন,মৃতদেহটি তাঁদের প্রিয় সাদ।

পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের বরাতে জানা যায়, রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকার একটি প্রধান সড়কের পাশে সাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এক ভ্যানচালক রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করেন।

পরিবারের দৃঢ় বিশ্বাস, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাঁদের ভাষায়—“সাদ কখনো নিখোঁজ হন না, তাঁর কোনো শত্রুও ছিল না।” প্রিয় সন্তান হারিয়ে বাবা-মা প্রায় বাকরুদ্ধ ও অচেতন। বোনেরা দিশেহারা। এই মর্মন্তুদ ঘটনায় গোটা পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া—সইবার মতো নয় সেই ব্যথা।

সাদের বড় বোন, সাংবাদিক নাহিদা আক্তার লাকি—আন্তর্জাতিক সাংবাদিক আইনি প্রতিকার ফাউন্ডেশনের প্রচার সম্পাদক—দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক মহল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, মানবাধিকার কমিশন, জাতিসংঘ ও গণমাধ্যমের সহায়তা কামনা করেছেন।

তিনি বলেন—“আমরা বিচার চাই। সাদ কারও শত্রু ছিল না। এভাবে একটি তরুণ প্রাণ ঝরে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না। এই হত্যার নেপথ্যের অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।”

প্রতিবেশীরাও জানান, সাদ ছিলেন ভদ্র, নম্র এবং সবার প্রিয়। তাঁর এমন মৃত্যু মানতে পারছেন না কেউ।

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102