রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা। নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানে নির্দেশনা।

বাকেরগঞ্জের এমপি হাফিজ মল্লিকের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় দিশেহারা একটি কুচক্রী মহল।।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

নজরুল ইসলাম :-

সর্বপ্রথম ১৭টি জেলা নিয়ে গঠিত সেই আগাবাকের খানের স্মৃতি বিজারিত বার আউলিয়াদের পূর্ণভুমি বাকেরগঞ্জ জেলা।নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট নিরঙ্কুশভাবে সরকার গঠন করলেও উন্নয়নের দিক থেকে এই বাকেরগঞ্জ ছিলো সুবিধাবঞ্চিত, উন্নয়ন বঞ্চিত,অবহেলিত এবং বিপর্যস্ত।তার কারণ হিসেবে জানা যায় জাতীয় পার্টির রত্না-রুহুল আমিন হাওলাদার এই দম্পত্তিদের দখলে ছিল এই আসনটি।সরে জমিনে জানা যায় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) আলহাজ্ব আবদুল হাফিজ মল্লিককে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দিলেও কতিপয় হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতাদের ৬০% ও ৪০% ভাগাভাগির স্বার্থে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে ছাড় দিতে হয় এই আসনটিকে।নবম জাতীয় সংসদে রুহুল আমিন হাওলাদার দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুহুল আমিন হাওলাদার এর স্ত্রী নাসরীন জাহান রত্না বিতর্কিত পন্থায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।রুহুল আমিন হাওলাদার এবং তার স্ত্রী নাসরীন জাহান রত্না সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় ৬০% আর ৪০% ভাগাভাগী।শুধু তাই বলেই ক্ষ্যান্ত হয়নি তাদের নেতৃত্বে সুদীর্ঘ ১৫ বছরটি ছিলো দুর্নীতি আর লুটপাটের মহোৎসব।অটো রিক্সা চাঁদাবাজী থেকে শুরু করে মাহেন্দ্রা ও পরিবহন সেক্টর থেকে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দিতে হতো মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়াকে।সরকারি জমি জবরদখল,ইটভাটা জবরদখল,শ্রীমন্ত নদী দখল,জেলখানার খাল দখল,সরকারি চরের জমি দখল করে ইটভাটা ও হাঁস,মুরগি,গরু বাছুর ও ছাগলের বিলাসবহুল খামার নির্মান,টেন্ডারবাজী সহ টিয়ার বাণিজ্য,কাবি খাঁ বাণিজ্য,গভীর নলকূপ বাণিজ্য, সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ের দপ্তরি নিয়োগ বাণিজ্য থেকে কোটি,কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া যায় মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া, সাবেক সংসদ নাসরীন জাহান রত্নার বিরুদ্ধে।এছাড়া নানান কিসিমের অভিযোগ রয়েছে মেয়ের লোকমান হোসেন ডাকুয়ার বিরুদ্ধে।যাহা ইতিমধ্যে তার অপকর্ম ও দুর্নীতির সংবাদ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়া মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া সত্ত্বেও টনক নরেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) আবদুল হাফিজ মল্লিক তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও অন্যদিকে রুহুল আমিন হাওলাদার এবং তার পত্নী বেগম নাসরীন জাহান রত্না এমপি নির্বাচিত হবার পর থেকই শুরু হয় মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় সীমাহীন দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর লুটপাট।আর তখনকার সময় অনেক মনোনয়ন বঞ্চিতরা মাঠে না থাকলেও তখন থেকেই বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য মাঠের ছাড়েননি তিনি।বিভিন্ন আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকান্ডে থেকে শুরু করে উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন পথে-ঘাটে, গ্রামগঞ্জে, অলি গলিতে,পাড়া মহল্লায়,বিভিন্ন চায়ের দোকানে তাহার সম্পৃক্ততা ছিল চোখে দেখার মত। আর এই কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্রের বাঁধাকে উপেক্ষা করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দিলে বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার ও তার লোপাট বাহিনী ৬০% ও ৪০% এর আশাকে বুকে ধারণ করে নিঃস্বার্থকে চরিতার্থ করার জন্য বর্তমান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম চুন্নকে দিয়ে দলের বিপক্ষে প্রার্থী করে বুনতে থাকে গভীর ষড়যন্ত্রের জাল।কিন্তু সেই গভীর ষড়যন্ত্র জালকে ছিন্ন করে বাকেরগঞ্জের তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ও উন্নয়ন বঞ্চিত বাকেরগঞ্জ সর্বসাধারণের ব্যালট যুদ্ধের মাধ্যমে গত ৭ জানুয়ারী ওই ৬০% ও ৪০% সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে মেজর জেনারেল (অবঃ) আলহাজ্ব আবদুল হাফিজ মল্লিককে বিপুল ভোটে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেন। আর তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় শপথ নেওয়ার পর প্রথম সংসদ অধিবেশনেই বাকেরগঞ্জকে জেলা হিসেবে ফেরত চাওয়া সহ অবহেলিত ও বিপর্যস্ত বাকেরগঞ্জকে পুনর্গঠনের জন্য মাননীয় স্পিকার ও সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা,জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীবর্গদের নিকট উন্নয়নের বক্তৃতায় সংসদ কাঁপিয়ে তোলেন যা ছিল সকলের চোখে দেখার মত।আর তার এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে বাকেরগঞ্জের একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপায়ে অপপ্রচার ও প্রভাগন্ডা চালিয়ে আসছেন বলে জানান,বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান ডাকুয়া সহ এলাকাবাসীর সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস,এম শফিকুর রহমান জানান, গত ৮ মে অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের দিন ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য এবং তার সহধর্মিনী ফরিদপুরে মঙ্গলসী ভোট কেন্দ্রে আসেন ভোট শেষ হওয়ার ঠিক ৩/৪ মিনিট পূর্বে।কিন্তু তাহার ঢাকা থেকে সড়কপথে দীর্ঘ যাত্রা করার কারনে তিনি এবং তার স্ত্রীর অসুস্থতা এবং প্রিজাইটিং কর্মকর্তার ভোট কেন্দ্রের ভোট কক্ষে আলোক স্বল্পতার কারণে ভোট প্রদান করিলে একটি কুচক্রী মহলের সহায়তায় সেই ভোট প্রদানের ভিডিও চিত্র বিভিন্ন সামাজিক ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি তিনি গভীর ষড়যন্ত্র, ভিত্তিহীন,দুঃখজনক ও অতিরঞ্জিত বলে জানান। একজন জনগণের ভোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়ে তার নির্বাচিত এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সচিবালয়ের শরণাপন্ন হন তার এই উন্নয়ন বঞ্চিত,অবহেলিত ও জন বিপর্যস্ত বাকেরগঞ্জকে পুনরুদ্ধারের জন্য।ইতিমধ্যে এই সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকার আত্মকর্মসংস্থান জন্য বাকেরগঞ্জে একটি অর্থনৈতিক জোন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আলাপ আলোচনা শেষে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ৫০একর সরকারী সম্পত্তি নির্বাচন করতে একাধিকবার দিয়েছেন বলে জানা যায়।তার এই বহুমুখী উন্নয়নের কর্মকাণ্ড দেখে বাকেরগঞ্জের ওই লীজ বাহিনীর মাথা খারাপ হয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে তার বিরুদ্ধে একের পর এক গভীর

ষড়যন্ত্রের নীল নকশা এবং বিভিন্ন প্রভাগন্ডা ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।আর একারণেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন আস্থাভাজন ও একান্ত বিশ্বাসী এবং তিনি যাকে তার পরিবারের লোক হিসেবে মনে করে সেই একজন সৎ, নির্ভীক,পরোপকারী,বহু গুণে গুণান্বিত ব্যক্তি,বিজ্ঞ প্রকৌশলীবিদ এবং তার সেনাবাহিনীর চাকুরী জীবনে যিনি তার অসাধারণ কর্তৃত্বের জন্য দেশি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বারবার পুরষ্কৃত হয়েছেন সেই বাকেরগঞ্জ উপজেলার দল মত নির্বিশেষে সকলের একজন আস্থাভাজন সংসদ সদস্যকে ওই লীজ বাহিনীর কথায় হেয়প্রতিপন্ন কারায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102