
আগামী ৭ই জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ। তার আগে একুশ দিন নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারে প্রার্থী। এবার বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো এ নির্বাচন বর্জন করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করছে।
আরেকটি বড় দল জামায়াতের নিবন্ধনই নেই, তারাও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নেই।ইশতেহার নিয়ে ভোটারদেরও খুব একটা আগ্রহ থাকে না এজন্য শেষ সময়ে একটা কিছু তারা প্রকাশ করে,যাতে সার্বিক দর্শনের কোন ছোঁয়া থাকে না। আর সরকারি দল হয়তো চায় যে এমন কিছু থাকুক যাতে সে পরে বলতে পারে ইশতেহার অনুযায়ী এটা করেছি।
একেবারে শেষ সময়ে এসে ইশতেহার দেয়ার কারণ কী এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া বলছেন, ইশতেহার নির্বাচনী প্রচারের অংশ এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রচারের সময় এখনো আসেনি।
“আমাদের কাজ চলছে। সময় এলেই ঘোষণা করা হবে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাসরুর মাওলা বলছেন দলগুলোর শেষ সময়ে ইশতেহার দেয়ার বড় কারণ হলো সব দলই চায় তার ইশতেহার যেন অন্যরা নকল করতে না পরে।
“সবাই নতুন কিছু দিতে চায়, এটাও একটা কৌশল,” বলছিলেন তিনি।
নির্বাচনব্যবস্থা রয়েছে এমন দেশগুলোতে সাধারণত ভোটের বেশ আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার ঘোষণার চল রয়েছে।
বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের আর এক মাসও বাকি নেই অথচ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ কোন দলই এখনো নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেনি।
তবে নির্বাচন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলছেন, বাংলাদেশের দলগুলোর কাছে ইশতেহার একটি রুটিন ওয়ার্ক এবং তারা তাদের মতো করে এটি তৈরি করেন, যার অনেক কিছুই বাস্তবায়নযোগ্যই হয় না।