
নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড পাসপোর্ট অফিসে রোহিঙ্গা সনাক্ত করে এক প্রতারক আটক। কঠোর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া ও ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট সরবরাহে সন্তুষ্টি জানালেন উপপরিচালক শামীম আহমেদ।
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে পাসপোর্ট অধিদপ্তর, সন্দেহজনক ভাষা ও আচরণে ধরা পড়লো এক জাল আবেদনকারি।
বাংলাদেশে নিরাপত্তা রক্ষায় ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পাসপোর্ট অধিদপ্তর জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায়,গত ১৯শে আগস্ট নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এক সন্দেহভাজন আবেদনকারীকে যাচাইয়ের পর আটক করা হয়েছে।
আবেদনকারীর ভোটার আইডি কার্ডে নাম ছিল “আরিয়ান”, তবে তাঁর কথাবার্তা ও ভাষাশৈলীতে রোহিঙ্গা বৈশিষ্ট্য খুঁজে পান সহকারী অফিসার আল মামুন।তৎপরতা দেখিয়ে তিনি তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন।
এ বিষয়ে অফিসের উপপরিচালক,মোঃ শামীম আহমেদ সাংবাদিকদের জানান,মে মাসে আমরা ৩ জন রোহিঙ্গা সনাক্ত করে আটক করেছি। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি খুবই স্পষ্ট—কোনো রোহিঙ্গাকে আমরা পাসপোর্ট ইস্যু করবো না। এতে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।
তিনি আরও বলেন,১৮ বছরের নিচে আবেদনকারীদের জন্ম সনদ ও ১৮ বছরের উপরে ভোটার আইডিসহ সকল ডকুমেন্ট গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হচ্ছে।অনলাইনে তথ্য যাচাই ও আইডির কপি সংগ্রহও বাধ্যতামূলক।
বর্তমানে পাসপোর্ট অফিসটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিটি আবেদন যাচাই করে দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট প্রদান করছে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য,এখন মাত্র ১০ কর্মদিবসের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাচ্ছেন আবেদনকারীরা।
মোঃ শামীম আহমেদ আরও বলেন,আমি সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি।জনগণের সন্তুষ্টিই আমাদের সাফল্যের মাপকাঠি।