রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা। নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানে নির্দেশনা।

একসঙ্গে জন্ম চার নবজাতকের!দুই দিনের ব্যবধানে চার নবজাতকের মৃত্যু।

সেলিম নিজস্ব প্রতিবেদক।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি
কক্সবাজারের উখিয়ায় একসঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম হয়েছে। জন্মের মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার সকালে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মোছারখোলা এলাকার প্রবাসী রবিউল আলমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়,রবিউলের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারের মঙ্গলবার (১৭ জুন)দুপুরে কক্সবাজার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সফল অস্ত্রোপচার হয়। এর মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।
জন্মের পরপরই মা ও চার সন্তানকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।বুধবার সকালে প্রথম শিশুটির মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মৃত্যু হয় একে একে বাকি তিন নবজাতকের।

ওই পরিবারের সদস্য আবুল ফয়সাল ফাহিম বলেন,চারটি শিশুর জন্ম আমাদের পরিবারে আনন্দ বয়ে এনেছিল,কিন্তু সেটি স্থায়ী হলো মাত্র দুই দিন। আমরা সবাই ভেঙে পড়েছি।

রবিউল আলম বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত। তিনি মোবাইলে বলেন,একসঙ্গে চার সন্তানের জন্মের খবর শুনে আমি নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছিলাম; কিন্তু সেই আনন্দ একসঙ্গে থেমে গেল চারটি কফিনে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,নবজাতকরা সময়ের আগেই (প্রিম্যাচিউর)জন্ম নেওয়ায় তাদের ওজন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতাসহ কয়েকটি জটিলতা দেখা দেয়। এসব কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষা করা যায়নি।

বর্তমানে মা ইয়াছমিন আক্তার ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো স্থিতিশীল রয়েছে। তবে চার সন্তান হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রবাসীর ঘরে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম ছিল এক আনন্দের খবর। কে জানত, সেই খবর এত দ্রুত চারটি মৃত্যু সংবাদে পরিণত হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। পরিবারটির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ।

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102