
নিজস্ব প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে
তিনি প্রথমত,উপস্থিত সকল রাজনৈতিক ও সাংবাদিক ভাই বোনদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তার মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেন।
তিনি বলেন, ২৫শে মার্চ সেই কালো রাতে বাংগালী জাতিকে মেরুদন্ডহীন করার জন্য যে নিষ্ঠুর ও নির্মম হত্যা জঘ্যচালানো হয়েছিল, সেজন্য আমরা সেই পাক হানাদার বাহিনীকে ঘৃণা ভরে প্রত্ত্যাক্ষান করি।আমি বিশ্বাস করি তারা যে উদ্দেশ্যে এই হত্যা যজ্ঞ চালিয়েছিল,তাতে তারা সফল হয়নি।আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনকরি। গভীর শ্রদ্ধা ও নিবেদন প্রকাশ করি শহীদ বীরদের প্রতি।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গরা হলেন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মো.আলমগীর হুসাইনের সঞ্চলনায় উপস্থিত ছিলেন,জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার,জেলা সিভিল সার্জন আ.ফ.ম মুশিউর রহমান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মো.আলমগীর হুসাইন,জেলা শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমান,বিকেএমইএ সহ-সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার,জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন,পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম,জেলা কমান্ড্যান্ট আনসার ও ভিডিপি,জেলা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মাঈনুদ্দিন,মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এড.নুরুল হুদা,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিপন সরকার সহ বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন বলেন,আমরা কাউকে অশ্রদ্ধা করতে চাই না। স্বাধীনতা যুদ্ধে যার যতটুকু অবদান রয়েছে,আমরা তা স্বীকার করি। সেই অনুযায়ী নতুন বাংলাদেশ যেন পরিচিত হয়,এটাই প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা।