শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ১২ মামলায় জামিনের পর কারাগার থেকে মুক্ত সেলিনা হায়াৎ আইভী। তীব্র তাপদাহে পথচারী ও শ্রমজীবীদের পাশে ডিসি-এসপি, নারায়ণগঞ্জে মানবিক উদ্যোগে প্রশংসার জোয়ার। এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম। কর্ণফুলীতে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান,৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা ও দুই নৌকা জব্দ। আদালত চত্বরে সাংবাদিক নার্গিস জুঁইকে মারধর,গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হামলা। বাঁশখালীতে রক্তক্ষয়ী বিরোধ নিরসনে এমপি জহিরুল ইসলামের উদ্যোগ,শুরু হলো আনুষ্ঠানিক মীমাংসা প্রক্রিয়া। সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ডিআইজি আলি আকবর খান। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল গঠন,স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ। স্পীকারের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ,বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

লাকসামে বিদ্যুৎতের খুটির সাথে বেধে দিনমজুর ফয়সালকে প্রহার।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:

গত ৫ ডিসেম্বর রাতে ৭টার সময় লাকসাম উপজেলা ১নং বাকই ইউনিয়নে কোয়ার বাজারে ঘটনা টি ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় ঐগ্রামের দুই ভাই আরিফুর রহমান আরব ওশহিদুর রহমান তাদের মধ্যে সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলছে।ঘটনার দিন দিনের বেলায় ছোট ভাই আরিফুর রহমান আরবের গাছ কাটার জন্য শ্রমিক ফয়সালকে দিয়ে কাজ করায়।কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় শ্রমিক ফয়সাল
পার্শ্ববর্তী এক ওয়াজ মাফিলের অনুষ্ঠানে ওয়াজ শুনতে যায়। শহিদুর রহমান ওয়াজের স্থানে গিয়ে ফয়সাল কে খুজে বের করে ওয়াজের স্থানেই বেধম মারধর করে।সেখান থেকে মারতে মারতে তাকে স্থানীয় কোয়ার বাজারে এনে বিদ্যুৎতের খুটির সাথে বেধে রাখে।
দিন মজুর ফয়সালের মায়ের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি আজ ১৯ বছর স্বামী হারা। আমি মানুষের বাড়িতে কাজ করে আমার ছেলেদের বড় করেছি। আমার ছেলে দিন মজুরি ভিত্তিক কাজ করে বিধায় আরিফুর রহমান আরব আমার ছেলে কে কাজের জন্য নিয়ে যায়। তাদের ভাইয়ের মধ্যে জায়গায় জমি নিয়ে বহু বছর আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছে।
সেটাকে কেন্দ্র করে আমার ছেলে গত ৫ তারিখ কাজ শেষ করে গোসল করে পাশের গ্রামে মাহফিলের যায়। এখান থেকে শহিদ তুলে এনে কুকুরে মত পিটিয়েছে, পিটিয়ে তাকে বিদ্যুৎতের পিলারের সাথে বেধে রেখেছে। আমি কতবার তার হাতে পায়ে ধরেছি তাও তার মায়া হয় নি। মারতে মারতে আমার ছেলে এক পর্যায়ে প্রায় মৃত হয়ে যাওয়ার পরে তাকে ছেড়ে দিয়েছে। চোখের সামনে ছেলে এই অবস্থা দেখে আর সহ্য করতে পারছি না। আমার ছেলেকে স্থানীয় কেউ ধরতে আসেনি শুধু তার প্রভাবের কারনে। আওয়ামী সরকারের আমলে সে এতোটাই বেপরোয়া ছিলো যে, সেই রেশ মানুষ এখনো ভুলেনি।

আমি আমার ছেলেকে নিয়ে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে নিয়েছি চিকিৎসার জন্য। ডাক্তার তাকে ভর্তি দিয়েছে। পরে আমি মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে থানায় গিয়ে তার নামে অভিযোগ করি। আমি প্রসাশনের কাছে ও বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি আমার এতিম ছেলেকে যে অন্যায় ভাবে অমানুষিক নির্যাতন করেছে তার সঠিক বিচার দাবি করছি।

বিষয়টি নিয়ে লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানার সাথে কথা বললে তিনি বলেন,আমরা এই বিষয় অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগে আলোকে সত্যতা পেলে আমরা দ্রুত ব্যাবস্থা নিবো।
ঘটনার আলোলে শহিদুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান, ফয়সাল এলাকায় অনেক উৎশৃখলতা করে। রাত বিরাতে হাটা হাটি ও নেশা পানি করে। আমি তাকে প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে করেয়টা বারি দিয়েছি। মানে তিনি যে মেরেছেন তার জবান বন্ধি সে দিয়েছে।

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102