
হাসান।নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুরে গত ৫ আগট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর অর্ন্তবর্তীকালীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসতে না আসতেই
গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন টঙ্গী বাজার এলাকায় মাজার বস্তুিতে আরো বেপুয়ারা হয়ে উঠেছে হিরোইন ব্যবসা স্বপন নূর মোহাম্মদের ও শাহাবুদ্দিনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।
টঙ্গীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মামলার পলাতক আসামী মো.সাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারুসহ তার সহযোগী আওয়ামী যুবলীগের ৫৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি পদপ্রার্থী স্বপন ও নূর মোহাম্মদ কর্তৃক টঙ্গীর ভরাণ মাজার বস্তিতে আধিপত্ত্য বিস্তারের মাধ্যমে ঘর-বাড়ি দখল এবং মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে জমজমাট হিরোইন সহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসা।অপরদিকে এই মাজার মাঠ বস্তির শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারুক নামে রয়েছে একাধিক মাদকদ্রব্যের মামলা মাথায় নিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসার টাকায় নামে বে-নামে গড়ে তুলেছেন টাকা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে ও সরোজমি ঘুরে জানা গেছে গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকার হাজী মাজার বস্তির বাসিন্দা যুবলীগ নেতা স্বপন ও তার সহযোগী নূর মোহাম্মদ এবং বিএনপির নেতা।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী এসময়রে মাদক সম্রাট মো. সাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বস্তিতে এসে আওয়ামী যুবলীগের নেতা স্বপন ও নূর মোহাম্মদ কে সঙ্গে নিয়ে আধিপত্ত্য বিস্তারের মাধ্যমে বস্তির ঘর-বাড়ি দখলের পাশাপাশি বস্তিবাসীর উপর অত্যাচার করাসহ তার মনোনীত মাদক ব্যবসায়ীদেও কাছ থেকে বিপুল পরিমান টাকা নিয়ে জমজমাট ভাবে হিরোইন, ফেন্সিডিল,ইয়াবা,গাজা,বাংলা মদের ব্যবসা শুরু করেছে। দেশের বর্তমান অবস্থাকে পুঁজি করে এক সময়কার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বর্তমানে তারা নিজেকে একটি রাজনৈতিক বিএনপির দলের শীর্ষ নেতাদের সহযোগী পরিচয় দিচ্ছে সাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু।
তাদের পুরোনো নারী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনেকটা প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা।অন্যদিকে এলাকাবাসীর দাবি এই শাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু ও স্বপন নূর মোহাম্মদ খুঁটির জোড় কোথায়,এলাকাবাসী আরো বলেন,এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার কার্য শুরু করা হোক।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পূর্ব থানা সহ বিভিন্ন থানার একাধিক চার্জসিটভূক্ত মাদক মামলার আসামী এবং দেশের বিভিন্ন থানায় তার নামে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। এছাড়াও সে র্যাবের বন্দুক যুদ্ধে নিহত এক সমময়কার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বাচ্চুর সহযোগী।বাচ্চূ নিহত হওয়ার পর থেকে
জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার আইরমারী গ্রামের সবল শেখের ছেলে মো.সাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু অন্য দিকে টঙ্গী ছেড়ে পালিয়ে যায়।
আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে জামালপুরের এক সাংসদ এবং মন্ত্রীর আর্শিবাদপুষ্ট হয়ে এবং উনার মাধ্যমে মাদকের মামলাগুলো থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় এবং
ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সরকারে পতনের পর পরই টঙ্গীতে ফিরে এসে ৫৭ নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী স্বপন ও নূর মোহাম্মদ কে সাথে নিয়ে হাজী মাজার বস্তিতে আধিপত্ত্য বিস্তারের মাধ্যমে পূণরায় মাদক ব্যবসা শুরু করে বলে জানান এলাকাবাসী।
স্থানীয় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জানান স্বপন ও নূর মোহাম্মদ কে দিতে হয় মোটা অংকের টাকা।
টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাদের উপর চালায় অমানবিক নির্যাতন।
অন্য দিকে, ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট থানা এলাকার স্বপন মিয়া টঙ্গীতে এসে শুরু করেন আওয়ামী লীগের রাজনীতি।
জানা যায়,মাদক ব্যবসায়ী স্বামী জেলে থাকার কারনে শাহাবুদ্দিন ওরফে দাবারু ও স্বপন নূর মোহাম্মদকে মোটা
অংকের টাকা দিয়ে হিরোইন ব্যবসা করছে,হেলেনাও সহ বিভিন্ন আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী অন্যদিকে দেখা যায়,হেলেনার বাড়ীর গেটের সামনে টিকিট কাউন্টারের মতো হিরোইন বিক্রি করছে হেলেনা।আরেক মাদক ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন রবিউল ইসলাম কিং বাবু মাদক সম্রাট দাবারুকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে মাদক ব্যবসা করছে বলেও এলাকাবাসীর অফিযোগ রয়েছে।