
কোটচাঁদপুর প্রতিনিদিঃ-
ছেলের বউ কে ধর্ষনের অভিযোগে শ্বশুর-শ্বাশুড়ির নামে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর মডেল থানায় মামলা করেছেন ছেলের বউ। বুধবার ওই মামলায় শ্বশুর মোস্তফা কামাল (৫৫)কে আটক হলেও শ্বাশুড়ি পলাতক। মোস্তফা কামাল উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের গরসুতি গ্রামের মৃত গুলিখার ছেলে।
ভুক্তভোগী ছেলের বউ বলেন,গত ১ বছর আগে মোস্তফা কামালের ছেলে রিয়াজের সাথে আমার বিবাহ হয়।
বিবাহের পর থেকে আমি স্বামীর সাথে আমার শশুর বাড়ীতে থাকতাম। আমার শশুর বিভিন্ন সময় আমাকে কু-প্রস্তাব দিতেন।
ঘটনার একদিন আগে আসামী হঠাৎ আমার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। তখন আমি বিষয়টি আমার স্বামীকে জানাই। তারা আমার কথা বিশ্বাস না করে,আমাকে মিথ্যা দোষারোপ করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি আমাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে।
তিনি বলেন,গত শুক্রবার ২৩/০৮/২০২৪ তারিখ সকালে আমার স্বামী ও শ্বাশুড়ি কোটচাঁদপুরের কাগমারী গ্রামে বেড়াতে যান। ওই রাতে এশার নামাজ পড়ে অনুমান ০৯.০০ ঘটিকায় আমি আমার শোবার ঘরে ঘুমাতে যায়।এ সময় আমরা শুশুর মোস্তফা কামাল আমার ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর আমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় জড়িয়ে ধরলে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তখন আমি চিৎকার করতে গেলে আসামী মোস্তফা কামাল গামছা দিয়ে আমার মুখ চেপে ধরেন। পরে আমার পরিহিত পায়জামা, খুলে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
ছেলের বউ অভিযোগ করে বলেন,এ সব ঘটনা আমার শ্বাশুড়ি সব জানতেন। তিনি এ কাজে সহযোগিতা করেছেন। ওই ঘটনায় গত ২৪ তারিখ ছেলের বউ বাদি হয়ে কোটচাঁদপুর মডেল থানায় শ্বশুর ও শ্বাশুড়ির নামে লিখিত অভিযোগ করেন। এরমধ্যে বুধবার (২৮-০৮-২৪) তারিখ শ্বশুর মোস্তফা কামাল কে আটক করেছেন কোটচাঁদপুর থানা পুলিশ। তবে আটক করতে পারেনি শ্বাশুড়ি রাবেয়া খাতুনকে।এ বিষয় কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ সৈয়দ আল- মামুন বলেন,ধর্ষন মামলা হয়েছে। ওই মামলায় স্বামী- স্ত্রীকে আসামি করা হয়েছে হয়েছে। এরমধ্যে স্বামী মোস্তফা কামালকে আটক করা হয়েছে। বাকি ১ জনকে ধরতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। খুব শীঘ্রই আসামি ধরা পড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।