অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগ আঘাত হানতে শুরু করবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের তিন থেকে চার ঘণ্টায় তাণ্ডব চালিয়ে রেমালের কেন্দ্রস্থলভাগে ওঠে আসতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে কেন্দ্রেই থাকে প্রচণ্ড শক্তি অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, উপকূলীয় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালী অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড়টি।
ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় প্রস্তুত উপজেলা প্রশাসন ।বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ রেমাল মোকাবেলায় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে মোংলা উপজেলা প্রশাসন মোংলা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় সকল এনজিও, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ বাহিনী সহ সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা প্রশাসন ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাইক্লোন সেন্টার হিসেবে খোলা রাখা হয়েছে । রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিপিপি সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করছে । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে । অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহিন রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ছয়টি বাণিজ্যিক জাহাজ জেটি থেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়েছে । বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে । দুর্যোগ মোকাবেলায় একটি কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়েছে। যে কোন অসুবিধায় কাজ করবে তারা । মোংলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমাল রাতের যে কোন সময় আঘাত আনতে পারে
এই ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম বিভাগে দমকা বা ঝড়োহাওয়াসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।