
বিশেষ প্রতিনিধি।দৈনিক বিজনেস প্রতিদিন২৪.কম||
রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের ১৯ থেকে ২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে দেখা গেছে।
কিন্তু মাঠে দেখা যাচ্ছে না জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে। তাদের সঙ্গে তাদের অনুসারী নেতারাও মাঠে নেই। তবে তাদের একাধিক অনুসারি নেতা জানান, ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওইদিনই চূড়ান্ত
চদ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৪টি আসনে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পর থেকে সংসদীয় আসনগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীরা সক্রীয় হয়ে উঠে। তবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগ তাদের দলীয় প্রার্থী ঘোষণানা করলেও মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন স্থানীয় আওয়ামীলীগ বুঝে নিয়েছে এই আসনটি জাতীয় পাটি তথা মহাজোটের জন্য রাখা হয়েছে। যেখানে জাতীয় পাটির বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান প্রার্থী। ফলে শহর-বন্দরের এই আসনে স্থানীয় আওয়ামীলীগ মাঠে সক্রীয় রয়েছেন।
কিন্তু,নারায়নগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাদারন সম্পাদক এড.খোকন সাহা কে ওই সময় মাঠে দেখা যায়নি।কিন্তু কেন? নারায়ঙ্গঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এড.খোকন সাহা নারায়ঙ্গঞ্জ ২৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে বন্দরের ৯টি ওয়ার্ডের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।অথচ ঐদিন আওয়ামী লীগের ১৯ থেকে ২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে খোকন সাহা কে দেখা যায়নি।
এথেকে কি বোজা যায় না? দানবীর নেতা সেলিম ওস্মানের সাথে করমীবান্দব নেতা এড.খোকন সাহার সাথে সম্প্রকের ফাটল দরানোর চেষ্টা করানো হচ্ছে? তারা কারা?
এদিকে নির্বাচন ঘিরে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের মধ্যে বিভক্তি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মো: বাদল ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহাকে বেশ তৎপর দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী মাঠে। কিন্তু নিশ্চুপ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। যদিও তারা দুজনই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোয়ন ফরম কিনেছিলেন। কিন্তু দল তাদের মনোনয়ন দেয়নি। এবং তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী ও হননি। কিন্তু তাদের নিরবতা দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন,যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির মৃধা,দপ্তর সম্পাদক এড. বিদ্যুৎ কুমার সাহা, সদস্য শিখণ সরকার শিপন, এসএম পারভেজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল আলম সজল, ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নিয়াজুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হোসেন,মহানগর আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনি খাঁনসহ মহানগর আওয়ামী লীগ ও বন্দর ২৩ নং ওয়ার্ড এর জাহিদ সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু- স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।