
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন। ইতোমধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু করছেন পুলিশ ও ফায়ার সাভিসের কর্মীরা। এতে হতাহতের সংখ্যা শতাধিক হতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। সাংবাদিক ওমর আলীর পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪.০০ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জগন্নাথপুর রেলক্রসিং এলাকায় কনটেইনারবাহী ট্রেনের ধাক্কায় যাত্রীবাহী এগারো সিন্দুর ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ঘটনা স্থলেই উল্টে যায় গোটা ট্রেন।
রেলওয়ে সূত্র জানা গেছে, ঢাকা থেকে একটি কনটেইনারবাহী ট্রেন ভৈরব স্টেশনে প্রবেশ করছিল। তার আগ মুহূর্তে ভৈরব থেকে এগারোসিন্দুর ট্রেন ঢাকার দিকে রওনা হয়েছিল।

জগন্নাথপুর রেলক্রসিং এলাকায় এগারোসিন্দুর ট্রেনের শেষের দুই-তিনটি বগিতে কনটেইনারবাহী ট্রেন আঘাত করে। মূলত সিগনালিংয়ের কোনো জটিলতার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভৈরব বাজার ফায়ার স্টেশনের ফাইটার রাসেল বলেন, আমরা বিকেল ৪টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাই। হতাহতদের উদ্ধারে ঘটনাস্থলে কাজ করছেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
দুর্ঘটনায় কতজন নিহত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। আরও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে হাজারও উৎসুক জনতা ভিড় করেছে। উপস্থিত হয়েছেন দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনে থাকা যাত্রীদের স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, স্টেশনে মাস্টারের অবহেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ট্রেনের নিচে অনেক মানুষ চাপা পড়ে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলোতে অনেকেই আহত অবস্থায় পড়ে আছে। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে।