
বিশেষ প্রতিনিধি:মোঃ আছাদুজ্জামান।
নিষিদ্ধ মৌসুমেও সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ চলছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের কিছু কর্মকর্তা ও দালালচক্রের যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে জেলেদের বনাঞ্চলে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে,পাশ-পারমিটের সময় এবং নিষিদ্ধ মৌসুমেও বিভিন্ন ধরনের নৌকা থেকে নির্ধারিত হারে অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে,এই অর্থের বিনিময়ে জেলেরা অভয়ারণ্য এলাকায় প্রবেশ করে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করেন।
এছাড়া,উৎকোচ না দিলে জেলেদের নৌকা আটক, বন মামলা এবং জব্দ করা মাছ-কাঁকড়া বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, আদালতে পাঠানোর পর তার নৌকায় থাকা অধিকাংশ মাছ বিক্রি করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ না হলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য,বন্যপ্রাণী ও বনজ সম্পদ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। অবৈধ মাছ আহরণের পাশাপাশি হরিণ শিকার ও বনজ সম্পদ লুটের অভিযোগও রয়েছে।
তবে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা এরফান হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।