
মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী | নারায়ণগঞ্জ।
নারায়ণগঞ্জবাসীর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে টিম খোরশেদের উদ্যোগে বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ, হৃদয়ে নারায়ণগঞ্জ’ স্লোগানকে সামনে রেখে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে এই মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম চালু করা হয়।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে টিম খোরশেদের প্রধান সমন্বয়কারী মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা.এস.এম.জিয়াউদ্দিন হায়দার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা.জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সরকার চিকিৎসাকেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে ৭ থেকে ৮টি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন,নারায়ণগঞ্জে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার চেয়ে বর্তমানে একটি আধুনিক সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা বেশি। হার্ট অ্যাটাক,ব্রেন স্ট্রোকসহ জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এমন হাসপাতাল সময়ের দাবি।
বক্তারা বলেন,জরুরি মুহূর্তে দ্রুত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এ উদ্যোগ স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.ফয়েজউদ্দিন,নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক সোহেল মোর্শেদ সারোয়ার,জেলা জামায়াতের সাবেক সভাপতি মঈনুদ্দিন আহমেদ,সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি এবং জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, টিম খোরশেদের এই ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিকে আরও সহজ করবে এবং মানবিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করবে।