
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবাসী যুবক মাসুম মিয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি শাকিল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
র্যাব জানায়,’বাংলাদেশ আমার অহংকার’স্লোগানকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাঁদাবাজি, মাদক ও চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করা হচ্ছে।
কীভাবে ঘটেছিল হত্যাকাণ্ড।
গত ৩০ মার্চ ২০২৬,সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার টাওরা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলায় গুরুতর আহত হন মাসুম মিয়া (২৫)। তিনি টাওরা পশ্চিমপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, মাসুম মিয়া ও ভোলাবো এলাকার রাজু একসাথে সৌদি আরবে অবস্থান করতেন। তাদের মধ্যে অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। দেশে ফেরার পর সেই বিরোধ চরমে পৌঁছায়।
ঘটনার দিন মাসুম মিয়া মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে টাওরা মধ্যপাড়া সড়কে পৌঁছালে রাজুসহ কয়েকজন তার উপর হামলা চালায়। তারা এলোপাতাড়ি মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে গুরুতর জখম করে।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
যেভাবে ধরা পড়লো শাকিল
ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতারে মাঠে নামে র্যাব-১১। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে তারা।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে ঢাকার তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ী এলাকায় (উত্তরা উত্তর মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে) একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ) ও র্যাব-১ (উত্তরা) এর যৌথ অভিযানে মামলার অন্যতম আসামি শাকিল মিয়া (৩০) গ্রেফতার হয়। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাবো এলাকায়।
গ্রেফতারকৃত শাকিল মিয়ার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।