রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা। নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানে নির্দেশনা।

বাগেরহাটে আনসার ও ভিডিপি’র ঘর তৈরী করা নিয়ে নানা অনিয়ম ও দূর্নিতীর অভিযোগ।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।

বাগেরহাটে আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে পাকা ঘর তৈরী করা নিয়ে নানা অনিয়ম ও দূর্নিতীর অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, আনসার ও ভিডিপির মহা পরিচালক এর নির্দেশে দেশের ৬৪ টি জেলায় ৩লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট পাকা টিনশেড ঘর তৈরৗ করে দেওয়ার নিদের্শনা দেন। বাগেরহাট জেলায় তার ই একটি ঘর পাওয়ার জন্য মোড়েলঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ফিরোজ সরদার নির্বাচিত হয়। এই ঘর নির্মানের দায়িত্ব পান মোড়েলগঞ্জ উপজেলা আনছার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম। এই ঘর তৈরীতে তার বিরুদ্বে টাকা আত্মস্বাৎ সহ নান অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ঘর পাওয়া ফিরোজ সরদার মুঠোফোনে বলেন, জেলা জেলা আনসার ও ভিডিপি অফিস থেকে আমাকে বলেছে ঘর তৈরীতে আপনার কোন টাকা পয়সা লাগবে না আপনি শুধু ঘরে বসবাস করবেন। কিন্তু ঘর তৈরীর শুরু করে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আমাকে দিয়ে জানালা গ্রীল ও দরজার জন্য ২৬ হাজার টাকা,বাতরুমের রিং বসানোর জন্য ১২শ টাকা , পিরোজপুর থেকে ইট- বালু আনা খরচ বাবদ ৩ হাজার টাকা দিয়েছি। এরকম বিভিন্ন অযুহাতে আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, আমার এখানে ৮ হাজার ইট আনার কথা ছিল উপজেলা কর্মকর্তা এনেছে ৬ হাজার, সিমেন্ট আনার কথা ছিল ৭৪ ব্যাগ এখানে আনা হয়েছে ৩০ ব্যাগ, এ রকম বিভিন্ন মালামাল কম আনছে। অথচ জেলা অফিসা বলেছিল আমার কোন খরচ হবেনা। এবিষয় কথা বলতে গেলে কাজের মিস্ত্রী ও উপজেলা কর্মকর্তা হুমকী দিয়েছে এসব বিষয় কথা বললে ঘর অন্যজায়গায় নিয়ে যাব।
ফিরোজ সরদারের স্ত্রী সাহানাজ পারভিন বলেন, এপর্যন্ত আমার ঘরের পিছনে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে রিং বসানো লাগবে সে টাকা আমার দেওয়া লাগবে, টিউবয়েলের গোড়া পোস্তা করা ,কলের পানি সরার জন্য পাইপ লাগবে সেটা আমার কিনে দেওয়া লাগবে ভিতে মাত্র এক লাসা ইট দিয়েছে এতে আমার ঘন দূর্বল হয়েছে, ঘরের আড়া রুয়া এক ই সাইজের কেটেছে আড়া মজবুত দেয়নাই তারা আমার এই ঘর তৈরী কাজে অনিয়ম করেছে। আমাকে হুমকী দেয় আপনি এবিষয়ে যদি বাড়া বাড়ী করেন অন্যকে ঘর দিয়ে দিব বা এঅবস্থায় হ্যন্ডওভার করে দিব।
এবিষয় এলাকার জাকির হোসেন সরদার বলেন, এখানে নিন্ম মানের কাজ হয়েছে নিচেয় এক লাসা ইট দিয়েছে কোন রড ব্যাবহার করেনি, ঘরের চালের রুয়োচটা নিন্মমানের দিয়েছে, রুয়া দিয়ে আড়া দিযেছে। ৮টায় একটা সিমেন্ট দিয়েছে। দেওয়ার কথা ৫ টায় ১ টা সিমেন্ট। এলাকার জাহিদ শেখ জানান, এর চেয়ে নিম্মমানের কাজ কোথাও দেখিনি ফুলো চাম্বল গাছ দিয়ে রুয়োচটা দিয়েছে, ভিতে ডিফ দিয়েছে মাত্র ৫ ইঞ্চি আমরা এলাকাবাসী কথাবলতে গেলে হুমকী দেয় কাজ ফেলেরেখে চলে যাব।
স্থানীয় মামুন শেখ বলেন, আনসার ভিডিপির যে কাজ করছে এটা খুবই নি¤œমানের একাজ তদন্ত করে দেখা উচিত।
এবিষয় মোড়েলগঞ্জ উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এখানে কোন অনিয়ম বা দূনির্তী করিনি। আমিকোন টাকা ফিরোজের কাছ থেকে নেয়নি। আমার টাকা ফিরোজের স্ত্রীর কাছে রাখা ছিল সেই টাকা নিয়েছি।
এবিষয়ে কাজের সিডিউল দেখতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সিডিউল দেখাতে পারে নি আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

বাগেরহাট জেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কমান্ডর মোঃ মাজহারুল আসলাম বলেন,মহা পরিচালকের পক্ষ থেকে সারা বাংলাদেশে অসহায় দুঃস্থ গরিব আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঘর প্রদান করা হচ্ছে। বাগেরহাটে ও এমন এটা ঘর করা হচ্ছে। ঘর তৈরীর টাকা পয়সা সব মেড়েলগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম কে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো। এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই। তবে তৈরীর সিডিউল দেখতে চাইলে তিনি বলেন আমার কাছে ( জেলা অফিসে) কোন কাগজ নাই সব মোড়েলগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তার কাছে আছে। আপনারা চাইলে শফিকের কাছথেকে দেখতে পারেন। তবে ৩লক্ষ৭৪ হাজার টাকা বরাদ্ব রযেছে এটা বরতে পারি। #

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102