
নিজস্ব প্রতিবেদক :দৈনিক বিজনেস প্রতিদিন।
আইনের বিভিন্ন ফাঁক-ফোকর দিয়ে জেল হাজত থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় সেই একই ব্যবসা করে চলেছে জামাল মালিথা। জামাল মালিথার মাদকের ভয়াবহ ছোবলে ধংস হচ্ছে যুবসমাজ,মাদকের নেশায় লন্ডভন্ড হচ্ছে নিন্মবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়ে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শীর্ষমাদক ব্যবসায়ী জামাল মালিথা এখন ধরা ছোঁয়ার বাইরে ।তার নামে একাধিক মামলা থাকলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে করে যাচ্ছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। রুবেল দৌলতপুর উপজেলার ৭নং হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের চরদিয়ার বৈদিনাতলা গ্রামের ইজারুল মালিথার ছেলে,সে দীর্ঘদিন যাবত মরণ নেশা ইয়বা, ফেন্সিডিল, গাঁজা, টেপেন্ডা বিক্রি করে আসছে বলে অভিযোগ আছে।বিভিন্ন তথ্য মতে জানা যায় তার নামে একাধিক মামলা আছে।
জামাল মালিথা গ্রেফতার হলেও বেশী দিন তাকে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি। আইনের বিভিন্ন ফাঁক-ফোকর দিয়ে জেল হাজত থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় সেই একই ব্যবসা করে চলেছে জামাল মালিথা। জামাল মালিথার মাদকের ভয়াবহ ছোবলে ধংস হচ্ছে যুবসমাজ,মাদকের নেশায় লন্ডভন্ড হচ্ছে নিন্মবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়ে। জামাল মালিথার মাদকের ছোবলে অবিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে রয়েছে চরম উদ্বেগ উৎকণ্ঠায়।বর্তমানে উপজেলা থেকে জেলা পর্যায় পুলিশ প্রশাসনের চোঁখ ফাকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে জামাল মালিথার রমরমা মাদক ব্যবসা।
জামাল মালিথা এছাড়াও কল্যাণপুর, জয়রামপুর, বিডিসি বাজার, সাদিপুর চামনাই, আল্লারদর্গা, ভেড়ামারায় পাইকারি মাদক বিক্রি করে আসছেন। জামাল মালিথা এতটাই ভয়ংকর যে এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা। জামাল মালিথার অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকেও মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিবে বলে একটি সুত্র নিশ্চিত করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন জামাল মালিথা মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সহস পায়না জামাল মালিথার নিজস্ব ক্যাডার বাহীনির ভয়ে, এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহীনিকে ম্যানেজ করে চলে নাকি তার মাদকের ব্যবসা।
এ ব্যাপারে এলাকার সচেতন মহলের লোকজন বলেন, জামাল মালিথা মাদকের সাথে ওতোপ্রোত ভাবে এখনও জড়িত আছে , প্রশাসনের হাতে আটক হওয়ার পরে একই নিয়মে জামিনে বেরিয়ে আসে জামাল মালিথা, এতোকিছু পরেও থেমে নেই জামাল মালিথার মাদক ব্যবসা। এলাকাবাসীর জোর দাবি তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার তা নাহলে এলাকার যুবসমাজ রসাতলে চলে যাবে এছাড়াও এলাকায় চুরি ছিনতাই বেড়েই চলেছে,যত দ্রুত সম্ভব জামাল মালিথার বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তেক্ষেপ কামনা করছি।এ বিষয়ে জামাল মালিথার সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন মাদক ব্যবসায়ীরা যত বড় ক্ষমতাশালী হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।