
প্রতিবেদক- মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। যানজট নিরসন,সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ১১৪ জন আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো.রায়হান কবিরের নির্দেশনায় এবং সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক,বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে ৫৪ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তি যানবাহনের চাপ সামাল দিতে তারা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবেন।
এছাড়া কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও ৬০ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হাট এলাকায় জাল নোট শনাক্তকরণ, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং অতিরিক্ত হাসিল আদায় ঠেকাতে তারা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবেন।
শুধু আনসার সদস্যই নয়, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও মাঠে কাজ করবেন। জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এসব স্বেচ্ছাসেবক সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে কাজ করবেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,ঈদকে ঘিরে সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ,পশুর হাটকেন্দ্রিক ভিড় এবং ছিনতাই-চাঁদাবাজির মতো অপরাধ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ,হাইওয়ে পুলিশ ও আনসার বাহিনী যৌথভাবে মাঠে থাকবে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন,ঈদে মানুষ যাতে স্বস্তিতে ও নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আনসার সদস্যরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবেন। পশুর হাটেও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারি থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো.রায়হান কবির বলেন,নারায়ণগঞ্জ একটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় ঈদের সময় লাখো মানুষ এখান থেকে বাড়ি ফেরে। তাই যানজট ও হয়রানিমুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।