শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা। নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানে নির্দেশনা।

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

দেশের অন্যতম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ডিজিটাল উপজেলার দাবিদার নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসকের পদ, নার্সসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর জনবল সংকট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ বাসিন্দা। প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রচুর সংখ্যক রোগী ভিড় করছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তাদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক এবং রোগীরা। এতে উপজেলার দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সরকারি খরচে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে বেসরকারি ক্লিনিকমুখী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা কমপক্ষে ৩ লাখ মানুষের একটি বড় অংশ চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশা করেন ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জলঢাকা উপজেলার এই হাসপাতালে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর এই গুরত্বপূর্ণ হাসপাতালটিতে চলছে তীব্র তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর জনবল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংকট।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শূন্য পদ হচ্ছে জুনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজি, জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, জুনিয়র কনসালটেন্ট ইএনটি (নাক-কান-গলা), জুনিয়র কনসালটেন্ট চক্ষু, মেডিকেল অফিসার (ইউনানী), প্যাথলজিস্ট।

জানা যায়, উপজেলার এই স্বাস্থ কমপ্লেক্সকে ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। মঞ্জুরিকৃত মোট পদসংখ্যা ১৯৯ জন। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১১৯ জন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ চিকিৎসকের ঘাটতি প্রকট। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৩৩ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১১ জন। এ ছাড়া তৃতীয় শ্রেণির ১০৪টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন ৬০ জন, চতুর্থ শ্রেণির ২৮টি পদের মাত্র ১৫ জন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন। আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ হাসপাতালের অন্যান্য মেশিন ও সরঞ্জামও জনবল সংকটের কারণে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ.এইচ.এম রেজওয়ানুল কবির বলেন, জনবল শুন্য থাকার পরেও হাসপাতালটিতে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা চেষ্টা করতেছি সীমিত জনবল দিয়েই এই অঞ্চলের মানুষের সেবা নিশ্চিত করার

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102