
মোংলা বাগেরহাট।
সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টায় একটি “আমের চারা” রোপনের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান।তিনি বলেন,বন্দর রক্ষায় গাছের গুরুত্ব পরিসীম।
করবো ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করেছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, প্রতিবছর সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। বৃক্ষরোপণে আগ্রহ সৃষ্টি ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য সব সবুজের সম্ভারে আয়োজন করা হয় বৃক্ষমেলা, বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও অন্যান্য বর্ণাঢ্য কর্মসূচির।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কিবরিয়া হক, সদস্য (অর্থ) কাজী আবেদ হোসেন, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) ড.এ.কে. এম আনিসুর রহমান ও পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ নুরুজ্জামান জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মাকরুজ্জামান সহ বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভাগীয় প্রধানগণ, সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
দেশব্যাপী এ বৃক্ষ আন্দোলনের পথিকৃত প্রবক্তা ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যেককে একটি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর আহবানের মাধ্যমে সবুজ-শোভিত সোনার বাংলা রচনার অভীষ্ট পদক্ষেপ নেন। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁর নির্দেশিত পথই অনুসরণে প্রত্যাশী ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সহিষ্ণু সত্ত্বার মত গাছ প্রকৃতির ঢাল হিসেবে, বন্দরে সুরক্ষা দিয়ে থাকে। আজ বন্দরে ৫ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় মোংলা বন্দর অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।