
রাজশাহী নগরীর কাজিহাটা এলাকার একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে গত ১৯ অক্টোবর বিকালে সাব্বির হোসেন রিংকু নামের একটি শিশু অপহরণ হয়। সেই রাতেই অপহৃত শিশুর চাচা অজ্ঞাত আসামী করে রাজপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।
এজাহারে ভিত্তিতে আরএমপির সাইবার টিমের সহযোগিতায় সৈয়দপুর জেলার সদর থানা থেকে রাজপাড়া থানার লক্ষিপুর পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই আবুল হাসান, এএসআই মোহাম্মদ আলী, কনেস্টেবল জাবের কে নিয়ে একটি টিম অপহৃত শিশু উদ্ধারের অভিযানে নামে।
পরবর্তীতে ২০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে ভোর ৫ টায় শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় সৈয়দপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে।
উদ্ধার টিমের নেতৃত্ব প্রদানকারী এসআই আবুল হাসান জানান শিশু সাব্বির হোসেন রিংকু হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র আসরের নামাজের পর সিএনবি মোড় থেকে তাকে আনোয়ার হোসেন নামের একজন লোক ফুসলিয়ে রাজশাহী রেলস্টেশনে নিয়ে যায় তারপর সে আর কিছু বুঝতে পারে না।
এসআই হাসান আরো জানান শিশু অপহরণের অভিযোগ পাবার পর আমরা সন্ধানে নামি পরবর্তীতে সৈয়দপুর সদর থানা পুলিশের সহয়তায় তাকে উদ্ধার করি।
অপহরণকারী সম্পর্কে এসআই হাসান আরো জানান অপহরণকারী একজন সাজা ভোগ কারী খুনের আসামী।
জয়পুরহাট জেলার সদর থানাট দূগাদাহ গ্রামের বাসিন্দা। ২০১২ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মুক্তি পেয়েছে।
আসামীকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তবে কি কারনে শিশু অপহরণ করেছিলো এবং এর সাথে কে কে জড়িত সেগুলো এখনো জানা সম্ভব হয়নি আদালতে রিমান্ড আবেদন করে জিঙ্গাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
শিশু অপহরণের বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক বলেন সাব্বির আসরের পরে খেলাধুলার সময় থেকে নিখোঁজ হয়।
সে আমার মাদ্রাসার হাফেজি পড়ছে এবং কোরআন শরিফের ৭ পারা মুখস্থ করেছে। নিজের সন্তানকে ফিরে পেয়ে খুশি গরীব রিক্সা চালক পিতা।
অপহৃত শিশু উদ্ধারের বিষয়ে রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান অপহৃত শিশুকে উদ্ধার ও অপহরণ কারীকে আটক করতে পেরে ভালো লাগছে বড় কোন অঘটন ঘটবার আগেই শিশুটি উদ্ধার হয়েছে।