রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উত্তরায় নিজ বাসায় খুন নারী চিকিৎসক ডা.সারা রোকসানা, গ্রিল কেটে ঢুকে হত্যার অভিযোগ,দ্রুত বিচারের দাবি। চৌহালীতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেনজেলা প্রশাসক-আমিনুল ইসলাম। স্বাধীন বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানালেন -এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন। নারায়ণগঞ্জ সদরে মাদক,ভূমিদস্যু ও ভেজালবিরোধী অভিযানে কঠোর ইউএনও-এস এম ফয়েজ উদ্দিন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট ঘোষণা,২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১,০৬০ কোটি টাকার পরিকল্পনা। রূপগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার,জব্দ মোটরসাইকেল। মদনপুরে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই,বন্দর থানার মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা,এনসিপির সমাবেশে বাধা। নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত, অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানে নির্দেশনা।

ইউএনওকে সরে বসতে বলায় চাকরি হারালেন ইমাম

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লায় মসজিদে জুমার নামাজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) কাতার সোজা করতে বলা নিয়ে এক মসজিদের ইমামের চাকরি চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

লালমাই উপজেলার ইউএনও মো. ফোরকান এলাহী অনুপমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

১৪ অক্টোবর শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে শুক্রবার উপজেলার পেরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন ভাটরা কাছারি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঘটনাটি ঘটে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউএনও।

ওই মসজিদের ইমামের নাম মাওলানা আবুল বাশার। তার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ হয়ে ইউএনও একাধিকবার তাকে পুকুরের পানিতে চুবানোর হুমকি দিয়েছেন।

ইমাম আবুল বাশার বলেন, খুতবা পড়ার শেষ পর্যায়ে প্রথম সারিতে শার্ট-প্যান্ট পরা এক ভদ্রলোক এসে বসেন।

ইকামত শেষে নামাজে দাঁড়ানোর সময় মুয়াজ্জিন ওই ভদ্রলোককে একটু সরতে বলেন। না সরায় আমিও ওই ব্যক্তিকে সরতে বলি। পরে জানতে পারি তিনি ইউএনও।

নামাজ শেষে আমি মসজিদ থেকে বের হলে (ইউএনও) আমাকে ও মুয়াজ্জিনকে মসজিদের দক্ষিণের সরকারি পুকুরপাড়ে ডেকে নিয়ে যান।

তখন ইউএনও স্যার উত্তেজিত হয়ে বলেন, কোনো কথা নেই, তোকে এখন পানিতে চুবামো। তুই কত বড় মাওলানা হয়েছিস, তোর ইন্টারভিউ নেব।

পরে ইউএনও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুল্লাহ ও মেম্বার গোলাপ হোসেনকে মোবাইল ফোনে কল করে দ্রুত পুকুরপাড়ে আসতে বলেন।

চেয়ারম্যান-মেম্বার পুকুরপাড়ে আসার পর ইউএনও স্যার আমাকে প্রশ্ন করেন, আমাকে সরতে বললেন কেন?

মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ পারভেজ হোসেন বলেন, আমি ইউএনও স্যারকে চিনতে না পেরে সরতে বলেছিলাম।

সে কারণে নামাজের পরে ইউএনও স্যার পুকুর পাড়ে নিয়ে আমাকে ও ইমাম সাহেবকে অনেক প্রশ্ন করেন।

উত্তেজিত হয়ে ইমাম সাহেবকে কয়েকবার পানিতে চুবাতে বলেছেন। এটা অপপ্রচার।

Share this news as a Photo Card

বিজনেস প্রতিদিন ২৪ ডট কম প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
কপিরাইট © ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
themesba-lates1749691102