
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ হ্যাপী
নারায়ণগঞ্জে ভূমি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও সেবার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে‘ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড রিকুইজিশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এ দ্রুত ও নির্ভুল ডাটা এন্ট্রির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জেলা প্রশাসক মো.রায়হান কবির।
বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভূমি অধিগ্রহণ ও রিকুইজিশন সংক্রান্ত এ সফটওয়্যারে তথ্য সংযোজন কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.রায়হান কবির। সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন,ভূমি অধিগ্রহণ ও রিকুইজিশন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ,দ্রুত এবং জনবান্ধব করতে সরকার ‘ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড রিকুইজিশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’সফটওয়্যার চালু করেছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নোটিশ জারি,প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ,সম্পত্তির মূল্যায়ন, ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ পুরো কার্যক্রমের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। ফলে সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসেই তাদের আবেদনের অগ্রগতি জানতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন,সফটওয়্যারের সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক ডাটা এন্ট্রি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য পুরো ব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে নির্ভুল তথ্য আপলোড করতে হবে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভূমি সেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান। পাশাপাশি যেকোনো কারিগরি সমস্যা দ্রুত সমাধানে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের নির্দেশ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখার কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা সফটওয়্যার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।
সভায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ এবং জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।