
ডেস্ক নিউজ:
র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী অভিযানে ফতুল্লা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গত ০৫ আগস্ট ২০২৪ হতে অদ্যবধি পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে র্যাব-১১ মোট ২৯৭ জন চাঞ্চল্যকর অপরাধী,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ০১ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী,১৫ জন আরসা সদস্য, ০২ জন জঙ্গি সদস্যসহ হত্যা মামলায় ১৯০ জন,ধর্ষণ মামলায় ১০১ জন, অস্ত্র মামলায় ৪০ জনকে গ্রেফতার করে। এ সময়ে মোট ১২৬টি অস্ত্র,১৩৯৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৪৭৯ জনের অধিক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৮৩ জন অপহরণকারী গ্রেফতারসহ ৯৩ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইকারী ও ডাকাত ৯৬ জন,জেল পলাতক ৩৯ জন এবং প্রতারণা মামলার ১৮ জনসহ মোট প্রায় ৫৯৮ জন অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নির্মূলে ও যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষায় র্যাব-১১ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-১,নারায়ণগঞ্জের একটি চৌকস আভিযানিক দল ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন পিলকুনী পাঁচতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে জনৈক মোঃ মাহফুজের ভাড়াবাড়ির নিচতলা থেকে মোট ২,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির ১,৫৩,০৭০/- টাকা উদ্ধারসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী—
১। মোঃ জহিরুল ইসলাম সাহন (২৫)
পিতা:মোঃ শাহ আলম খান।
মাতা:জহুরা।
সাং:লক্ষীপুর, সিরাজদিখান,মুন্সিগঞ্জ
এ/পি:মাহফুজের ভাড়াটিয়া,পিলকুনী পাঁচতলা, কুতুবপুর, ফতুল্লা,নারায়ণগঞ্জ
—কে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জহিরুল ইসলাম জানায়, সে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও আশপাশের জেলায় সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল। তার মাধ্যমে মাদক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মাদকচক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১,সিপিসি-১ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।