প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
নারায়ণগঞ্জ,১৫ অক্টোবর ২০২৫।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। চাঁদাবাজি, খুন,অপহরণ,ডাকাতি, মাদক ও অস্ত্রসহ নানা অপরাধে জড়িত শীর্ষ অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে র্যাব সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
সেই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলের চিহ্নিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ সাহেব আলী (৩৮),পিতা—মৃত গিয়াস উদ্দিন,সাং—আটি ওয়াপদা কলোনী,থানা—সিদ্ধিরগঞ্জ,জেলা—নারায়ণগঞ্জ-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সিদ্ধিরগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে এলাকায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।
তিনি তার বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া,শোডাউন,চাঁদাবাজি, লুটপাট,ডাকাতি,মারধর,ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, মাদক কারবার, সরকারী কর্তব্যে বাধা দেওয়া এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ছদ্মবেশে ডাকাতিসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে।
এর আগে,সাহেব আলীর ঘনিষ্ঠ ০৬ সহযোগীকে ০৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে গাজীপুর জেলার গাছা থানার চান্দুরা এলাকা থেকে র্যাব-১১ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে গ্রেফতার করে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১ ও র্যাব-৯ এর যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ, সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকায়,সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানাধীন মান্নান ঘাট এলাকা থেকে সাহেব আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত সাহেব আলীর বিরুদ্ধে থাকা মামলাসমূহঃ
ডাকাতি ও ছিনতাই মামলা-০৭টি।মাদক মামলা,০২টি।
নারী ও শিশু নির্যাতন-০১টি।নাশকতা ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন-০৩টি।সরকারী কর্তব্যে বাধা-০৫টি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছদ্মবেশে ডাকাতি-০২টি।
মোট মামলা-২০টি।
র্যাব-১১ আরও জানায়,সাহেব আলীর বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
বিজ্ঞপ্তি শাখা।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)।