৫ লক্ষাধিক শিশু-কিশোরকে টিকার আওতায় আনতে প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নারায়ণগঞ্জে শুরু হয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন। রবিবার সকালে শহরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়। এসময় সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ সুদিপুর রহমান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
জেলা প্রশাসকের বার্তা:-এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের নিচে থাকা শিশু-কিশোরদের টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা দিতে চাই। নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১৮ দিনের মধ্যে ৫ লক্ষ ১ হাজার ৭২১ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। একজনও যেন এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে — সেটি নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি সতর্ক করে বলেন,যদি কোনো শিশু আজ বাদ পড়ে যায়,তবে তাকে স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে হবে। ভবিষ্যতে টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে তার দায়ভার এড়ানো যাবে না। আমাদের লক্ষ্য — সুস্থ,সবল ও রোগমুক্ত প্রজন্ম গড়ার পথে কোনো শিশুকে পেছনে রেখে না যাওয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ:-মো.আলমগীর হোসাইন — অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।
মো.শহীদুল ইসলাম — জেলা পরিবার পরিকল্পনা।উপপরিচালক। ফেরদৌসী বেগম — জেলা প্রাথমিক শিক্ষা।কর্মকর্তা। তাছলিমা শিরিন — সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মুহাম্মাদ জামাল হোসাইন — উপপরিচালক,ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ডা.মোর্শেদুল ইসলাম খান — মেডিকেল অফিসার,(WHO)
ডা.উম্মে ফারহানা -সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
আ.তা.ম.বোরহান উদ্দিন — পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।
জাহানারা খানম — উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
আলাউদ্দিন খান লিজু — প্রধান শিক্ষক।
লুৎফর রহমান — জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট।
স্বাস্থ্যসচেতনতার মূল বার্তা-প্রতিটি শিশুই দেশের সম্পদ। যথাসময়ে টিকা দিলে একটি সুস্থ জাতি গড়ে ওঠে।অসুস্থতা নয়,শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
এই টিকাদান কর্মসূচি শুধু একটি স্বাস্থ্য উদ্যোগ নয় — এটি নারায়ণগঞ্জের পরিবারগুলোর জন্য আশার আলো। বৃহৎ পরিসরে এ আয়োজন সফল হলে টাইফয়েড প্রতিরোধে এটি হতে পারে সারা দেশের জন্য রোল মডেল।