প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
অধিনায়কের কার্যালয় ব্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১১ আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জ।
স্বাক্ষরিত
লেঃ কর্নেল:এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন,এসজিপি, বিপিএম, পিপিএম,পিএসসি,পদাতিক, স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে,
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের পীর্ঘ সন্ত্রাসী গুটার মাসুদ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ আটক এবং পৃথক আরেকটি অভিযানে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় জড়িত মেঘনার শীর্ষ নৌ-ডাকাত আক্তারকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিশেষ নৌকা ও অন্যান্য সরঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে হামলার মূল হোতা ও আড়াইহাজারে ব্যবসায়ী হত্যার শীর্ষ আসামী গ্রেফতার।
নারায়ণগঞ্জ,মুন্সীগঞ্জ ও আশেপাশের অঞ্চলে আলোচিত দুইটি ভয়াবহ অপরাধের তদন্তে বড় সাফল্য অর্জন করেছে।র্যাব-১১। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা গজারিয়ার কুয়াগাছিতে পুলিশ ক্যাম্পে গুলি বর্ষণের ঘটনায় সরাসরি জড়িত একজন আসামী এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাকিব নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

গজারিয়ার ক্যাম্পে গুলি:
কয়েকদিন আগে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অস্থায়ী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে গুলি চালায়। র্যাব-১১ এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, এই হামলার নেতৃত্বদাতা ছিল একজন স্থানীয় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আক্তার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তার আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে একটি নদীসংলগ্ন জায়গা থেকে বিপুল অস্ত্র, ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
ব্যবসায়ী সাকিব হত্যা মামলায় অগ্রগতি:
২০২৫ সালের ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাকিব নামের একজন নিরীহ ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করে কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুলতান মাসুদ। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। র্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে, যার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে,সুলতান মাসুদের নেতৃত্বে একটি ৮-৯ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র কাজ করত, যারা ডাকাতি, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল।
তার বিরুদ্ধে ৭টি মামলা রয়েছে — একটি হত্যা মামলা, কয়েকটি অস্ত্র, মাদক এবং চাঁদাবাজির মামলা।
অভিযানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব আরও কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা, অস্ত্র ও বিভিন্ন তথ্য উদ্ধার করেছে এবং অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।
র্যাব-১১ আরো জানিয়েছে,সন্ত্রাস,হত্যা ও অস্ত্রব্যবসায় জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। যারা এখনো পলাতক,তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।"
এই দুটি অভিযানে র্যাব-১১ তাদের পেশাদারিত্ব এবং নিষ্ঠার প্রমাণ দিয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।