নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার কুখ্যাত ঢাকাত সদস্য সাইফুল।সে ছোট জালাকান্দি এলাকার মৃত,রজব আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় ৩ টি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে।
গতকাল ৯ জুন ২০২৫ রোজ সোমবার আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকার সময় আড়াইহাজার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কালিরহাটে গোপালদী পুলিশ ফারির সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল এর নেতৃত্বে তালিকাভুক্ত ডাকাত সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়।
কিন্তু গ্রেফতারকৃত ঢাকাতকে কালিরহাটে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি'র ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ডাকাত সাইফুলের লালনকর্তা হিসেবে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর এলাকার জনগণের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
যেহেতু গতকাল কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবঃ)আড়াইহাজার থানা পরিদর্শন করতে এসে নিজ মুখে আড়াইহাজারকে ডাকাত প্রবণ এলাকা উল্লেখ করে ডাকাতের বিরুদ্ধে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও জনগণকে নির্দেশ দেন।
অথচ একই দিনে ডাকাতকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটালেন বিএনপি'র ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্য নজরুল ইসলাম আজাদকে দায়ী করে আড়াইহাজার উপজেলার শান্তি প্রিয় জনগণ নজরুল ইসলাম আজাদকে ধিক্কার জানিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে বর্তমানে আড়াইহাজারের সকল তালিকাভুক্ত ঢাকাতদের আশ্রয় দিচ্ছেন বিএনপি'র ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, তার ভাই রাকিব, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জুয়েল এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবুসহ আজাদ অনুসারী বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।
এই বিষয়ে,নজরুল ইসলাম আজাদের বক্তব্য পাওয়ার জন্য তার মুঠফোনে বারংবার যোগাযোগ এর চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,নজরুল ইসলাম আজাদ ছাড়িয়ে নেননি,তিনি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছেন। তার অনুরোধে একজন কুখ্যাত ডাকাতকে কেন ছেড়ে দিলেন এই প্রশ্নে তিনি লাইন কেটে দেন।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার নাসিরউদ্দিন এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে আমাদের জানিয়েছেন।