পর্ব ১।
স্টাফ রিপোর্টারঃ গেন্ডারিয়া থানাধিন নারিন্দা এলাকার সাবেক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে,ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের স্বাশন আমলে নিজে আওয়ামী লীগ করার সুবাদে টেন্ডারবাজি,চাঁদাবাজি,অবৈধ পথে পণ্য আমদানি,বিদেশী ডলার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শত কোটি টাকা মূল্যর সম্পদের পাহাড় তৈরি করেছেন আওয়ামীলীগের দোষর মহিউদ্দিন।
মহিউদ্দিন এর ব্যাপারে প্রতিবেদকের,অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেড়িয়ে এসেছে।
নারিন্দা বাসি এক সময়ে মহিউদ্দিনকে চিনতো, ট্রাক ড্রাইভার হিসেবে।অতি নিম্নত্রবারের মহিউদ্দিন আওয়ামী রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পরে তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
তিনি বিভিন্ন জায়গাতে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে আওয়ামী ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেন্ডার বাজি, চাঁদাবাজি,সিন্ডিকেট বানিজ্য,ডলার সিন্ডিকেট,আদম দালালী, সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষে ম্যানেজ করে পণ্য আমদানী থেকে শুরু করে সকল প্রকারের অপকর্মের সাথে মহিউদ্দিন সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে বিশেষ একটি সুত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তিনি এতো সব অপকর্ম করে গড়েছেন, শতশত কোটি টাকার অর্থ সম্পদ।
চলুন তাহলে,অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আশা তার সম্পদের আংশিক বিবরনী তুলে ধরা হলো,
গেন্ডারিয়ার নারিন্দার ৩০ নং শাহ সাহেব লেনে সাময়িক নীড়ে ক্রয় করেছেন ৫ টি ফ্লাট এই ফ্লাট গুলের বর্যাতমান বাজার মূল্য প্রায় ১০কোটি টাকা।
নারিন্দা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে তৈরি করেছেন বিলাস বহুল বাড়ি,যার বর্তমান বাজার মূল্য ২৫কোটি টাকা।
৪/৪,সায়েদাবাদে জমি ক্রয় করে তৈরি করেছেন বিলাশ বহুল আলিশান বাড়ি,যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২০কোটি টাকা।
২৪৯/৫,দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকাতে রয়েছে বিলাস বহুল বাড়ি,সহ দোকান,যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫কোটি টাকা।
১কোটি টাকা মূল্যার দামি গাড়িতে রাজকীয় হালে চলাচল করেন মহিউদ্দিন,যার গাড়ি নং ঢাকা মেট্রো-গ ৩৩-৭৪৮৫,
তার এবং স্ত্রী সহ ২ সন্তানের নামে বিভিন্ন জায়গাতে জমি সহ গা্ড়ি বাড়ি রয়েছে।

মহিউদ্দিন সুরমা ট্রডিং এন্ড ট্রেভেলস এজেন্সি নামিও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষকে প্রবাসে পাঠানোর নাম করে বিভিন্ন প্রকারের প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিতেন অর্থ।
দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারনে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সরকারি ভ্যাট টেক্স অফিসারকে ম্যানেজ করে নাম মাত্র টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে দায় সারা ভাবে চলাচল করেই চলেছেন মহিউদ্দিন।
তার বিভিন্ন ব্যাংকে নামে বে নামে শত কোটি টাকা রেখেছেন বলে তার নিকট একটি সূত্র থেকে নিশ্চত হওয়া গেছে।
সুরমা ট্রেভেলস এজেন্সির মাধ্যমে মানুষকে বিদেশে পাঠানো সহ অবৈধ ডলার সিন্ডিকেটের সাথে তিনি এবং তার ২ ছেলে সক্রিয় ভাবে জরিত বলে তার নিকটস্থ কর্মচারী থেকে জানা গেছে।
চায়না,দুবাই,ইন্ডিয়া সহ বিভিন্য দেশ থেকে নাম মাত্র পন্য ক্রয়,বিক্রয় করে সিন্ডিকেট তৈরি করে অবৈধ পথে পণ আমদানী রপ্তানি সহ সকল প্রকারের অপকর্ম এখনো দেদার্সে চালিয়ে যাচ্ছেন।
মেসার্স তানভীর ব্যাটারী এন্ড টায়ার হাউস সহ বর্তমানে বিভিন্য নিত্য নতুন প্রতিষ্ঠান খুলে অবৈধ পথে অর্জিত অর্থ সম্পদ বৈধ বানানোর চেষ্টা করছেন।
তার এ বিষয়ে নিয়ে অনুসন্ধানী টিম তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে ফোন দিলে,ফোনটি রিসিভ করেন নাই,পর্বর্তীতে তার বক্তব্য নিতে দেখা করতে গেলে তিনি সাংবাদিক দেখে দরজা আটকিয়ে দেন।
পরবর্তীতে তার এক নিকটস্থ সাংবাদিককে দিয়ে ফোন করালে ফোনে বলেন,সাংবাদিকেরা আমার বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমি সবার নামে মামলা দিবো,গেন্ডারিয়া থানার নতুন ওসি সাহেবের সাথে আমি কথা বল্লাম তিনি নিজে আমাকে বল্লো সাংবাদিকদের নামে মামলা করতে,তার পরে বাকিটা ওসি সাহেব দেখবেন।
এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়ে প্রতিবেদক ফোন দিলে তিনি বলেন,আমি ব্যস্থ আছি পরে কথা বলবো.................চলবে