প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জরুরি পরিচালন কেন্দ্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান মহোদয় প্রকৌশল বিভাগের সামগ্রিক কর্মকান্ড নিয়ে মিট দ্যা প্রেসের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, অতিবৃষ্টি তে রাস্তাঘাটে যে ছোট ছোট খানাখন্দগুলো হয়েছে সেগুলা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করেছি, যা আগামী পনের দিনের ভেতরে সম্পন্ন হয়ে যাবে। তারপর বড় বড় রাস্তার কাজগুলোআমরা দরপত্র প্রক্রিয়ায় দ্রুত সময়ে ঠিক করার ব্যবস্থা নিয়েছি। চলতিবছরে অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হওয়ার কারনে আমাদের রাস্তা-ঘাটগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাছাড়া নাগরিক সেবায় নানাবিধ কার্যক্রমের কারনে রাস্তা খননের জন্য বিভিন্ন সংস্থাকে অনুমতি দেয়া হয়, রাস্তা খনন করতে গিয়ে দেখা যায় তারা কার্যক্রম পরিচালনা করে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আমাদের কাছে বুঝিয়ে দিতে পারে না। তাছাড়াও দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারনে কাজ শুরু করতে কিছুটা বিলম্বিত হয়।
এছাড়া রাস্তা, সারফেজ ড্রেন, ফুটপাতের ১৩ টি কার্যক্রম প্রকল্পের ৪ টি দরপত্রের মাধ্যমে কার্যাদেশ দিয়ে দেয়া হয়েছে, যা মাঠ পর্যায়ে চলমান। বাকি ৯ টি প্রকল্পের দরপত্র চলমান আছে। সড়ক খননের ১২ টি কাজের মধ্যে ৭ টি চলমান আছে, বাকিগুলো দরপত্র চলছে এবং শীগ্রই আমরা কাজগুলো শেষ করতে পারব।
ট্রাফিক অবকাঠামো বিষয়ে বলেন, ট্রাফিক অবকাঠামো ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষন বিষয়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা একটি নির্দেশনা দিয়েছেন, নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিক সিগনাল ব্যবস্থার উন্নয়ন করার জন্য, যা পাইলটিং সিস্টেম হিসেবে বাংলামোটর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত পরিক্ষামূলকভাবে চালু হবে। আমাদের এ বিষয়ে ৫ টি প্রকল্প আছে, যার মধ্যে ২ টি প্রকল্প চলমান ও বাকি তিনটির দরপত্র চলমান।
এছাড়াও তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, আমরা ওয়াসা থেকে কিছু খাল পেয়েছিলাম, আমরা চারটি খালকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি, মান্ডা, জিরানি, শ্যামপুর, কালুনগর পরিপূর্নভাবে খনন করে পূর্বের অবয়বে খালগুলো ফিরিয়ে দিতে পারি,অবৈধ দখলদার দূর করে শহরের ভেতরের ইন্টার্নাল কানেকটিভিটির সাথে যুক্ত করতে পারলে আমাদের জলাবদ্ধতা দূর হবে বলে আশা করি।
এছাড়া নিউমার্কেট, বুয়েট সহ আরো কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা হয় সে জায়গাগুলো জলাবদ্ধতা দূরীকরনে পাঁচটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে, একটি কার্যাদেশ দিয়ে দেয়া হয়েছে, যেন আগামী মৌসুমের আগে আমরা জলাবদ্ধতা দূর করতে পারি। নতুন সংযোজিত ১৮ টি ওয়ার্ডে উন্নয়ন কাজের জন্য চারটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। তাছাড়া সংসদীয় এলাকার জন্য চারটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
মেয়র বা প্রশাসকের জন্য বিশেষ বিশেষ এলাকা থেকে যেসব অনুরোধ আসে সেখানে ৩৮ টি প্রকল্প রয়েছে যার ৭টি চলমান আছে,৩১ টি দরপত্র আহবান করা হয়েছে। অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন ব্যায়ের মধ্যে ৭ টি প্রকল্প নিয়েছি, যার মধ্যে ৪ টির কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে, ৩ টি দরপত্র প্রক্রিয়াধীন আছে।
এসব যাবতীয় কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে করতে পারলে আশা করি দ্রুত আমরা নাগরিকদের সুন্দর একটি নগর উপহার দিতে পারব।
উল্লেখ্য মিট দ্যা প্রেসে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম সহ প্রকৌশলী বিভাগের অন্যান্য প্রকৌশলীবৃন্দ।