ডেস্ক রিপোর্ট:
সোমবার ৩ডিসেমবর সকালে ৩১জন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বিদ্যানিকেতন পরিচালনা পরিষদের বর্তমান সভাপতি মাশফাকুর রহমানের কাছে এ আবেদন করেন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছুটিতে থাকায় শিফট ইনচার্জ হাবিবুর রহমান অভিভাবকদের কাছ থেকে তার ছেলের মাধ্যমে এই টাকা আদায় করেন। অভিযোগে বলা হয়,হাবিবুর রহমান অভিভাবকদের জানিয়েছেন,প্রশাসন কে ম্যানেজ করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করানোর জন্য এই টাকা দিতে হবে।
অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ের জন্য ৫ হাজার টাকা করে আদায় করার অভিযোগ করেছে অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার ৪ ডিসেমবর দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের অফিসে মাশফাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পরিষদের সভায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এস.এস.সি পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে দেয়ার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,তিনজন অভিভাবক আমার কাছেও এমন একটি অভিযোগ করেছে। আমি যেহেতু ছুটিতে আছি সে কারণে হাবিবুর রহমান পরীক্ষার সকল বিষয় দেখাশুনা করেছে। ইতোপূর্বে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারীদের পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ৩১জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য ছিল। আজকের সভায় তাদের ফরম পূরণ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে এসকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছ থেকে যদি টাকা আদায় করে থাকে সেটা হাবিবুর রহমান বলতে পারবে।
বিদ্যানিকেতনের শিফট ইনচার্জ হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,আমার এবং আমার ছেলের সম্পর্কে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের একটা অভিযোগ করা হয়েছে বলে জেনেছি। আজকের ম্যানেজিং কমিটির সভায় আলোচনার পর বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তদন্ত করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন। তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোন মন্তব্য করতে তিনি রাজি হয়নি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.ইউনুস জানান, শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী কোন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার সুযোগ দেয়ার নিয়ম নাই। বিদ্যানিকেতন অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ম অনুযায়ী ফরম পূরণ করতে পারে না। টাকা নিয়ে এ কাজ করলে সেটা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাদের কাছে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
এদিকে বিষয়টি জানার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাশফাকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বিদ্যানিকেতন একটি ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান।আমাকে বর্তমানে সভাপতির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।আজকের সভায় এস.এস.সির টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম আমার জানা ছিলনা।তবে ওই স্কুলের শিফট ইনচার্জ হাবিবুর রহমান এবং তার ছেলের বিরুদ্ধে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছ থেকে আর্থিক লেনদেনের একটি