নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।
আমি শেখ মোঃ আইয়ুবুর রহমান, আখাউড়া পৌরশহরের দেবগ্রামের বাসিন্দা। আমি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আখাউড়া উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলাম, ১৯৮৪ইং সন হতে ১৯৯২ইং সন পর্যন্ত। আখাউড়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে ১৯৯২ইং সন হইতে ১৯৯৮ইং সন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করি এবং আখাউড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলাম।
আখাউড়ার বিএনপির রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে যাদেরকে পেয়েছিলাম সর্ব জনাব মরহুম হাজী এম এ তাহের সভাপতি, মরহুম জনাব নায়েব আলী ভূঁইয়া সাধারণ সম্পাদক, মরহুম হাজী মোঃ ইউসুফ সারওয়ার সাংগঠনিক সম্পাদক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি।
তিলে তিলে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছি। আখাউড়া বিএনপি'র রাজনীতি করতে গিয়ে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে বহুবার জেলে গিয়েছি। অসংখ্য মামলার আসামি ছিলাম। পরবর্তীতে ব্যাংকে চাকুরী হওয়ায় নানা সময় এলাকার বাইরে থাকতে হয়েছে। কর্ম ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্বেও এলাকায় বেশি আসতে পারিনি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দমন পীড়নের কারণে সক্রিয় রাজনীতি করা ছিল অত্যন্ত দূরুহ। অনেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে দল ত্যাগ করেছে। কিন্তু আমি বিএনপির আদর্শ বুকে ধারণ করে দলকে ভালোবেসে দলের প্রতি আনুগত্যশীল ছিলাম। মাঝখানে আমার শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল যাহার জন্য ভারতে গিয়ে বুকে ১টা রিং পড়ানো হয়। মনে প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্বেও দলীয় কর্মসূচিতে সময় দিতে পারিনি।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,
আমি দীর্ঘদিন দেবগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দেবগ্রাম স্কুলকে সরকারি করণে সহযোগিতা করায় তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে আমি সহ গ্রামবাসী ওয়াদাবদ্ধ ছিলাম, সুযোগ আসলে উনার পাশে থাকার। যেহেতু বিএনপি ২০২৪ইং সালে নির্বাচনে যায়নি সেই কারণে ২০২৪ইং সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাধ্য হয়েই গ্রামবাসীর সাথে আনিসুল হকের প্রচারণায় যাই। একদিন একবারই কয়েক ঘন্টার জন্য উনার প্রচারণায় গিয়েছিলাম, যাহার জন্য আমি অনুতপ্ত ও অনুশোচনা জ্ঞাপন করছি। আমার অনিচ্ছা সত্বে উক্ত প্রচারণায় ফটোশেসন মোবাইলে ভিডিও ধারন করে আমার সাথে ব্ল্যাক মেইলিং করে। একটি কুচক্রি মহল আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অবদানকে ছোট করতে এবং দলের কাছে আমাকে বিতর্কিত করে ফায়দা হাসিল করতে কয়েকটি ছবি মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে। অনেকে না বুঝেও সেই ছবিগুলি শেয়ার করছে।
১২ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার একটি ছবি প্রচার করা হয়েছে। আমি কোন সময়ই আওয়ামীগের লীগের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আওয়ামীলীগে যোগদানও করিনি। কুচুক্রী মহল আমার বিএনপির পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক জীবনের অবদান, জনপ্রিয়তা, ভূমিকায়, ঈর্শানিত হয়ে কোন কিছু হলেই ছবিগুলি ফেসবুকে পোস্ট দেয়। আমি তাদের হীন মানসিকতার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আখাউড়ার বিএনপির রাজনীতিতে আমার অবদানের কথা আখাউড়ার মানুষ অবগত, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যারা আমার ছবি পোস্ট করছেন তাদেরকে অনুরোধ করবো, এই সমস্ত হীন মনমানসিকতা পরিত্যাগ করুন। আমি বিএনপি তে ছিলাম, আছি, থাকবো, ইনশাল্লাহ। আমাদের নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে আমার অনেক ছবি আছে। নিম্নে কয়েকটি ছবি দেওয়া হলো।
সবাইকে ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।
১৩.১১.২০২৪ইং
শেখ মোঃ আইয়ুবুর রহমান সাবেক সভাপতি ছাত্রদল ও যুবদল আখাউড়া উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।