মোঃ সালাউদ্দিন:-
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের ছুট বড় অনেক নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর একাধিক মামলা, বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর, শারিরীক ভাবে হামলা করা হলেও গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দুই বারের নির্বাচিত সফল মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস ঝর্ণা ত্রিপুরার নামে নাই কোনো রাজনৈতিক মামলা।
গুইমারা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে (১৪ নভেম্বর) এক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দুই বারের নির্বাচিত সফল মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস ঝর্ণা ত্রিপুরার পিতা কুমেন্দ্র লাল ত্রিপুরাকে বিএনপির সম্প্রীতি সমাবেশে উপস্থিত দেখা যায়।
বিএনপির সমাবেশে উপস্থিত কুমেন্দ্র লালের ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখে পড়ে অনেকের।
গুইমারা উপজেলা ছাত্র লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সজিব সাংবাদিক দের বলেন মিসেস ঝর্ণা ত্রিপুরা নবগঠিত গুইমারা উপজেলা পরিষদের প্রথম মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান তাও আবার নৌকা মার্কার টিকিটে,দ্বিতীয় বারেও বটে,তবে আওয়ামী লীগের সমর্থনে নির্বাচিত হয়েছেন আর আজকে দেখলাম পট পরিবর্তন হওয়ার ৩ মাস যেতে না যেতেই ঝর্ণা ত্রিপুরার পরিবর্তন । আজকে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সমাবেশে তারবাবা কুমেন্দ্র লাল ত্রিপুরা সামনের সারিতে বসে আছে, আর আওয়ামী লীগ সরকার থাকা অবস্থায় তিনি সামনের সারিতে বসতেন,সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেন গত ৩ মাসে আমার জানা মতে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মীর পাশে দাড়ান নাই, কিন্তু আপনি ঠিকি আপনার নিজ বাসায় বসবাস করতেছেন,আগামীর জন্য প্রস্তুতি নেন কর্মীরা সবকিছুই মনে রাখে।
গুইমারা উপজেলা বাসি জানতে চায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিসেস ঝর্ণা ত্রিপুরা ও তার পরিবার, আত্বীয় স্বজন কোনো প্রকার মামলা, হামলা, পরিবারিক ও শারিরীক নির্যাতনের শিকার না হয়ে নিরাপদে এলাকায় বসবাস করে তার পিতা কুমেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বিএনপির সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে পারে তাহলে গুইমারা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা কেনো? মামলা হামলার শিকার হয়ে এলাকায় থাকতে পারবেনা।
ঝর্ণা ও কুমেন্দ্র লাল ত্রিপুরার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে একাধিক বার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।
গুইমারায় কেউ বিএনপি পরিবারের সদস্য আওয়ামী লীগের কর্মী, আবার আওয়ামী পরিবারের সদস্য বিএনপির কর্মী।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আওয়ামী পরিবারের সদস্য বিএনপির কর্মীহয়ে এলাকায় বসবাস করতে পারলে-বিএনপি পরিবারের সদস্য আওয়ামী লীগের কর্মীরা কেনো এলাকায় থাকতে পারবেনা?
গত ৫ আগস্টের পরে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জৈনক ব্যক্তিকে এক সমাবেশে অপমান করা হয়েছে। জানা যায় জৈনক ব্যক্তির ছেলে আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী তাই তাকে অপমান করা হয়েছে।
এলাকার মানুষের কৌতূহল এখানেই যে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পিতার চাইতেও আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মীর পিতার অপরাধ বেশি?
খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি কেনো এতো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা, হামলা , ভাংচুর করে অনেককে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে? আবার এদিকে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের পরিবার আত্বীয় স্বজন দের সার্বিক সহযোগিতা করছে গুইমারা উপজেলা বিএনপি, এ যেনো লাল কুত্তা শিয়ালের ভাই, সরিষার ভিতরে ভূতের বসবাস।
সূধীজনরা মনে করছেন গুইমারা উপজেলা বিএনপির স্লোগান আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে, দাবি কি?