নিজস্ব প্রতিনিধি :দৈনিক বিজনেস প্রতিদিন ২৪.কম।
সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ মাসুদ বাবুর নেতৃত্ব কোমল পানীয় বিতরণ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কালাম মেম্বার নুর আলম, শিপন মেম্বার, সেলিম ও আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। রোদের তীব্রতা এতটাই প্রখর যে, অল্প কিছুক্ষণ রোদে হাঁটলেই পুরো শরীর পুড়ে যাওয়ার অবস্থা। অসহনীয় এই দাবদাহ থেকে পথচারী, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষদের স্বস্তি দিতে কোমল পালীয়র বোতল পথচারীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন,সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফ মাসুদ বাবু। পথচারীরাও থেমে সেই কোমন ও ঠানডা পানীয় গ্রহন করছেন। কেউ কেউ পানির বোতল সাথে করে নিয়ে চলে যাচ্ছেন।এপ্রিল এমনিতেই দেশের উষ্ণতম মাস। চৈত্রের শেষ আর বৈশাখের শুরুতে গরমের তীব্রতায় হাঁসফাঁস করতে হয়। তারমধ্যে তাপপ্রবাহ চলছে। দেশজুড়ে টানা তাপপ্রবাহের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিবদ্ধ করা হলো সোমবার।বৃষ্টির জন্য মানুষ আকুতি করছে। বৃষ্টির দেখা নেই। রাস্তায় তীব্র তাপপ্রবাহে তৃষ্ণার্ত মানুষকে পানি ও শরবৎ সরবরাহ করছেন অনেকেই।নিজ উদ্যোগে এমন কার্যক্রম চোখে পড়ছে।
এবার বৃষ্টিপাতের প্রবণতা না থাকায় চৈত্র মাসের শেষ সময় থেকে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। চলতি মৌসুমে ৩১ মার্চ থেকে তাপপ্রবাহ শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনে বিঘ্ন ঘটছে। সড়কে হিট স্ট্রোকের ঘটনার কথা খবরে আসছে। আর এসবকে কেন্দ্র করেই কিছু মানবিক কারণে কোমল পানির বোতল নিয়ে পথে
নেমেছেন তারা এসব তুলে দিচ্ছেন সাধারণ
পথচারীদের হাতে।
গরমে অনেকেই মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছেন। এই সময়টা একটু পানি দরকার হয়। এভাবে রাস্তায় পানি বিতরণ করা এটা খুবই ভালো উদ্যোগ।
এদিকে, আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানান,
১৯৪৮ সাল থেকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডেটা
সংরক্ষণ রাখা আছে। চলতি মৌসুমের আগের ৭৫
বছরের মধ্যে টানা সর্বোচ্চ ২৩ দিন তাপপ্রবাহ বয়ে চলে
২০২৩ সালে। ওই বছরের এপ্রিলের শেষ ১৮ দিন ও মে
বিতরণ

এখন পর্যন্ত টানা ২৭ দিনের তাপপ্রবাহের তথ্য তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ শাহীনুল বলেন, ৩১ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কিছু কিছু অঞ্চলে তাপপ্রবাহ ছিল, তাপমাত্রার পরিমাণও (তুলনামূলক) ছিল কম। ১১ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহ মৃদু থেকে বেড়ে মাঝারি রূপ নেয় এবং যোগ হয়েছে কিছু অঞ্চল। ১৬ তারিখ থেকে তীব্রতা বেড়ে ৪০-৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠেছে। সেই সঙ্গে ব্যাপক অঞ্চলে তা বিস্তৃতি লাভ করে এবং তাপমাত্রার পরিমাণ তীব্র থেকে অতি তীব্র হয়।
এর মধ্যে ২০ এপ্রিল যশোরে তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৭ ডিগ্রি ওঠে। আর আজ চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ওঠে।
বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম হলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির কম তাপমাত্রাকে বলা হয় মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির কম তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।
গত বছর ১৭ এপ্রিল পাবনার ঈশ্বরদীতে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। এবারেও একই তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায়।সোনারগাঁ মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান নেতৃত্ব কোমল পানীয় বিতরণ