
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- দৈনিক বিজনেস প্রতিদিন২৪.কম।
বুধবার ৬ই মার্চ বিকেলে তার নিজ কার্যালয়ে, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এর এক বক্তব্য প্রধান কালে নারায়ন গঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের ২৩নংওয়ারড এর নারায়নগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা হুমায়ন কবির মৃধা বলেন,৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সমবেত জনসমুদ্রে জাতির উদ্দেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর এই ভাষণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে।
পরাধীন জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি আমাদের পশ্চিম পাকিস্তান সব কিছু থেকে বঞ্চিত করে ,আমাদের দেশের সম্পদ যখন পশিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে সৈরাচারী ভুমিকা পালন করে।পশ্চিম পাকিস্তান যখন দেশটাকে জিম্মি করে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আমাদের সব কিছু থেকে বঞ্চিত করে, এর পেছনে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনা আছে। বঙ্গবন্ধু যখন পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আলাদা একটা রাষ্ট্র গঠন করে ঠিক ওই সময় বঙ্গবন্ধু এই ভাষণটি দেন। এই ভাষণটি স্বাধীনতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। বঙ্গবন্ধু তখন অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে ভাষণটি প্রথম দিয়েছিলেন উনি এই ভাষণে বলে গেছেন,প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি,রক্ত আরো দেব।এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্।এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধুর ভাষনের মধ্যে উনি স্বাধীনতা সংগ্রামের সব কিছু বলে গেছেন।স্বাধীনতার জন্য কি করতে হবে তিনি এই ভাষণে সব কিছু বলে গেছেন। আমি মনে করি এই ভাষন গড গিফটেড।আল্লাহ প্রদত্ত এই ভাষণ। তিনি বলে গেছেন আমি যদি হুকুম দিতে না পারি । তখন তোমরা সবকিছু বন্ধ করে দিবে। উনি বলে গেছেন রেডিও টেলিভিশন এর কর্মচারী রা যদি আমাদের কথা না শুনে তাহলে আপনারা সব বন্ধ করে দিবেন।আপনারা টেলিভিশনে যাবেন না। খাজনা টেক্স সব বন্ধ করে দিবেন। সবকিছুই ভাষনে তিনি উল্লেখ করেন। ২৪ মিনিটের এই ভাষনে তিনি সবকিছু উল্লেখ করে গেছেন। স্বাধীনতার রূপ লেখা তিনি পরিষ্কার করে গেছেন। ওই সময়ের ভাষণে তিনি ব্যাখ্যা করে গেছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,যেহেতু আমি দল করি সেহেতু দলের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী অতি উৎসাহিত হয়ে আমার ছবি দিয়ে পোস্টার করে। আমি রাজনীতি করি জনগণ উন্নয়নের জন্য দেশ ও জাতি জনগনের জন্য। যেহেতু মাননীয় প্রধানমনএী শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় আছেন, ওই সুবাদে উন্নয়ন বলতে গেলে আমার এলাকায় অনেক উন্নয়ন হয়েছে ২৪ ফিটের বড় রাস্তা ছিল সেটা এখন ১০০ ফিট হয়েছে আগে যেখানে আমাদের এখানে একটা রাস্তা ছিল এখন সেখানে ১৪ রাস্তা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ আগামী প্রজন্মের জন্য তিনি জানান,
আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ১৬ই ডিসেম্বর এসব গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলো সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য তিনি স্কুল কলেজে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সাথে আলোচনায় বসবেন। কারণ ঐতিহাসিক ৭ইমার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায় বলে তিনি মনে করেন। এ বিষয়গুলো যেন স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্য পুস্তকের মাধ্যেমে আগামীর প্রজন্মের শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে সে বিষয়ে তিনি মাননীয় প্রধান্মন্ত্রীকে জানাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন । যেন আগামী দিনগুলোতে রাজনীতিতে একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয় সেজন্য তিনি সেগুলোর প্রতি নজর দিবেন। উল্লেক্ষ্য, ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।