নিউজ ডেস্কঃদৈনিক বিজনেস প্রতিদিন।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘মায়ের কান্না’ সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ,বলেন আইনমন্ত্রী- জিয়াউর রহমান মানুষ হত্যা করে আনন্দ পেতেন। তার স্বভাব ছিল,তিনি একজনকে লাগিয়ে দিয়ে অন্যকে হত্যা করতেন। তার কারণ হচ্ছে,তিনি যে অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসেছেন,সেই ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য,তাকে এই হত্যাগুলো করতে হবে।’
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন,১৯৭৭ সালে জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল, তার বিচার অবশ্যই হওয়া উচিত।
জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিলেন।
বন্ধুকেও তিনি ছাড়েননি। তার প্রমাণ কর্নেল তাহের। এই কর্নেল তাহের তাকে ৭ নভেম্বর রক্ষা করেছিল। অথচ এর সাত দিনের মধ্যে কর্নেল তাহেরকে তিনি গ্রেপ্তার করেন এবং তাকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেন।
ওই ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের স্বজনদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন,আপনারা এর বিচার পাবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিভাবকত্বে আছেন,তিনিও আপনাদের মতো ভিকটিম। তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। তাদেরকে হত্যার মাধ্যমেই কিন্তু এই কিলিংয়ের উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান আর খন্দকার মোশতাক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি ইমিরেটাস প্রফেসর ড.খন্দকার বজলুল হক,সংসদ সদস্য নাহিদ ইজাহার খান,দীপ্ত টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফুয়াদ চৌধুরী,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান মিঞা লেলিন।
নঈমুদ্দীন/রফিক