বিশেষ প্রতিনিধি।
জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডি-৩২ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আন্দোলনের নামে যারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করছে তাদের গ্রেপ্তার করা দমনমূলক কি না, সেই প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির বিবেকের কাছে আমাদের প্রশ্ন, বাংলার মাটিতে এই হত্যা, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির শেষ কোথায়? মনে হয় ৭৫ পরবর্তী সকল হত্যাকাণ্ডই সংঘটিত হয়েছে ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে। সেই পরাজিত শক্তি বারে বারে জাতির সমূলে, চেতনায় আঘাত হেনে চলছে। এরা সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি।
তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর একইসূত্রে গাঁথা এবং একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রধান টার্গেট ছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ৭৫ এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে তাদের বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। ২৮ অক্টোবর আবার প্রমাণ হয়েছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। কাজেই আজকে এরাই জাতির প্রধান দুশমন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২৮ অক্টোবর ২৪ জন সাংবাদিক নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন, একজন পুলিশকে কীভাবে হত্যা করেছে, হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে, পার্কিং করা গাড়িতে ঘুমন্ত হেলপারসহ কীভাবে পুড়িয়েছে।
এদিকে, বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আবারও প্রমাণ করেছে, তারা সন্ত্রাসী দল। ঢাকায় তারা যে রক্তপাত, তাণ্ডব ঘটিয়েছে এটা তারই প্রমাণ।