বিশেষ প্রতিবেদক:
সোনালী লাইফ, প্রগ্রেসিভ লাইফ ও সন্ধানী লাইফে কর্মজীবন নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে একান্ত সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে সম্প্রচারিত একটি প্রতিবেদনের পর যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অজিত চন্দ্র আইচ একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন,তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন লিখিত নথি ও প্রমাণও উপস্থাপন করেন।
সাক্ষাৎকারে সোনালী লাইফে ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,তিনি ৩০ জুন ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিদায় নেন। অথচ ২০২২ সালের একটি চেকের স্বাক্ষরকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তিনি দাবি করেন।
প্রগ্রেসিভ লাইফে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে অজিত চন্দ্র আইচ বলেন,এটি আত্মসাৎ নয়,আইডিআরএর নির্দেশনা অনুযায়ী উৎসব বোনাস বাবদ নেওয়া অর্থ তিনি প্রতি মাসে বেতন থেকে কেটে সম্পূর্ণ ফেরত দিয়েছেন। এর লিখিত প্রমাণও তাঁর কাছে রয়েছে।
সন্ধানী লাইফে দীর্ঘ ২০ বছরের কর্মজীবনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন,তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকেই পরিচালনা পর্ষদের আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র নিয়ে বিদায় নিয়েছেন।
এদিকে সোনালী লাইফ কর্তৃপক্ষ লিখিত প্রতিক্রিয়ায় জানায়, চেক-সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন এবং অজিত চন্দ্র আইচ সাত বছর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আইডিআরএর লাইফ মেম্বার আপেল মাহমুদ জানান,বিষয়টি আইডিআরএর নজরে রয়েছে এবং লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর দ্রুত নিষ্পত্তির আশাবাদ রয়েছে।