নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা।
ভিসার কড়াকড়িতে গবেষণা,সাংবাদিকতা ও বৈশ্বিক মেধা বিনিময় নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভিসা নীতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি শিক্ষার্থী,
এক্সচেঞ্জ ভিজিটর এবং আন্তর্জাতিক সংবাদকর্মীদের জন্য ভিসার মেয়াদ ও নবায়ন প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আরোপের ফলে উচ্চশিক্ষা,গবেষণা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে,দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা,উচ্চশিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিকতার মতো ক্ষেত্রে ভিসা-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা মেধাবী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের পরিকল্পনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত ভিসা নবায়নের প্রয়োজনীয়তা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম এবং গবেষণার ধারাবাহিকতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিদেশি সাংবাদিকদের ভিসা মেয়াদ সীমিত হলে মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা,দীর্ঘমেয়াদি রিপোর্টিং এবং তথ্য সংগ্রহের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক তথ্যপ্রবাহ ও সংবাদ পরিবেশনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর হাজারো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। নতুন নীতির কারণে তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা পরিকল্পনা,গবেষণা এবং পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে,বিশ্বায়নের এই সময়ে জ্ঞান,গবেষণা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের অন্যতম শর্ত। তাই অভিবাসন নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষা,গবেষণা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
নতুন এই ভিসা নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে নীতির বাস্তবায়ন, ভবিষ্যৎ সংশোধন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার ওপর।