
নিজস্ব প্রতিনিধি:
কবি মহিউদ্দিন আকবরকে নিবেদিত‘নারায়ণগঞ্জ সাহিত্য উৎসব ২০২৬’-এ সাংগঠনিক দক্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দক্ষ সংগঠক সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ।
শনিবার (১৬ মে) বিকেল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি-এর সেমিনার কক্ষে কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে এ সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কবি মহিউদ্দিন আকবর স্মরণে আলোচনা সভা, কবিতা,ছড়া ও পুঁথিপাঠ,স্মারকগ্রন্থের পাঠ উন্মোচন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। কাব্যকথা কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে এবার বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১০ জনকে গুণীজন সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাব্যকথার প্রধান উপদেষ্টা কবি আরিফ মঈনউদ্দীন। উদ্বোধন ঘোষণা করেন দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের সভাপতি কবি শাহীন রেজা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি,গীতিকার ও সংগঠক জালালউদ্দিন নলুয়া। প্রধান আলোচক ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক শাওন আজগর। এছাড়া আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কবি ও গীতিকার এস এ শামীম,কবি ও সাংবাদিক রণজিৎ মোদক এবং ভিকটিম সাপোর্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান শাহানা জামান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব নারায়ণগঞ্জ শাখার সভাপতি কবি কাজী আনিসুল হক হীরা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব কবি সাব্বির আহমেদ সেন্টু।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সভাপতি জালাল খান ইউসুফী।
সম্মাননা স্মারক গ্রহণের পর অনুভূতি প্রকাশ করে এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন,সাহিত্য ও সংস্কৃতির এই আয়োজনে দক্ষ সংগঠক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আমি অভিভূত। নারায়ণগঞ্জের সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চাকে এগিয়ে নিতে ভবিষ্যতেও কাজ করে যাব।
তিনি আরও বলেন,তরুণ লেখক ও সংগঠকদের উৎসাহিত করে নারায়ণগঞ্জকে সাহিত্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই এখন আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। সবাই মিলে কাজ করলে নারায়ণগঞ্জের সাহিত্য ও সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।