ডেস্ক রিপোর্ট | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা কৌশলগত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে মার্কিন মূলভূমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার,পশ্চিম গোলার্ধে ‘মাদক সন্ত্রাসীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে কাজ করবে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর আওতায় আর্কটিক অঞ্চল থেকে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায়—বিশেষ করে গ্রিনল্যান্ড,মার্কিন উপসাগর ও পানামা খালে—মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পেন্টাগন জানিয়েছে,‘গোল্ডেন ডোম’ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন,ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের আধুনিকায়ন এবং সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনার সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,রাশিয়া ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় সদস্যদের জন্য একটি স্থায়ী কিন্তু নিয়ন্ত্রণযোগ্য হুমকি হিসেবে থাকবে। যদিও ইউরোপের প্রতিরক্ষার মূল দায়িত্ব ন্যাটো মিত্ররাই বহন করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সীমিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে।
এছাড়া ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা গভীর করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়াকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের জন্য সরাসরি সামরিক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তৈরি করছে।